Last Updated:
Piya Sengupta: ভোটের ফলপ্রকাশের পর থেকেই ইম্পার অশান্তি। গত শুক্রবারও ইম্পার মিটিংয়ে তীব্র বাদানুবাদে জড়িয়ে পড়েন সংশ্লিষ্ট সংগঠনের সদস্যরা। বর্তমান সভাপতি পিয়া সেনগুপ্তের পদত্যাগের দাবিতে অনড় ছিলেন বিক্ষুব্ধ সদস্যরা। সোমবার, বিকেলে সাংবাদিক বৈঠক করে জবাব দিলেন EIMPA -র সভাপতি পিয়া সেনগুপ্ত।
কলকাতা: সোমবার প্রেসক্লাবে সাংবাদিক বৈঠক করলেন EIMPA -র সভাপতি পিয়া সেনগুপ্ত,ইম্পার আইনজীবী চাঙ্কি আগারওয়াল ও অন্যান্য সদস্যরা। গত, ২২ মে ইম্পার অফিসে যে বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়েছিল তারপর থেকে আতঙ্কের পরিবেশ অফিসে। বাধ্য হয়ে প্রেসক্লাবে সাংবাদিক বৈঠক করলেন তাঁরা।
সেদিনের ওই ঘটনার পর ইতিমধ্যেই পিয়া সেনগুপ্ত থানাতে অভিযোগ জানিয়েছেন। ১৪৪ ধারা জারি থাকা সত্ত্বেও বিক্ষুব্ধ সদস্যরা পিয়া সেনগুপ্তকে অফিসিয়াল কাজকর্ম করতে দিচ্ছেন না। সেপ্টেম্বর ২০২৭ অবধি তার সভাপতিত্বের মেয়াদ রয়েছে। তিনি গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত সভাপতি। তা সত্ত্বেও কী করে ধ্বনি ভোটের মতো একটি অনৈতিক পদ্ধতিতে ইম্পার বিক্ষুব্ধ সদস্যরা রতন সাহাকে অন্তর্বর্তীকালীন সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত করলেন? পিয়া কোনওভাবেই অস্থায়ী সভাপতিকে মানতে নারাজ।
উল্লেখ্য, EIMPA র অন্তর্বর্তীকালীন সভাপতি নির্বাচিত হলেন রতন সাহা। তিনি SSR মিডিয়ার মালিক। দীর্ঘদিনের ফিল্মের ব্যবসার সঙ্গে জড়িত তিনি ও তাঁর পরিবার৷ রতন সাহা ও তাঁর পুত্র শতদীপ সাহা অজন্তা ও গ্লোব সিনেমা হলের মালিক৷ ইম্পার সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের সমর্থনে তাঁকে আপাতত সভাপতি করা হল। যদিও তিনি অন্তর্বর্তী সময়ে থাকবেন৷ ইম্পার সদস্যরা বলছেন ভবিষ্যতে স্বচ্ছ পদ্ধতিতে ভোট হবে এবং তখন স্থায়ী সভাপতি নির্বাচিত হবে। ততদিন পর্যন্ত অন্তর্বর্তীকালীন দায়িত্বে থাকবেন রতন সাহা। যদিও রতন সাহাকে সভাপতি হিসেবে মেনে নিতে অস্বীকার ইম্পার আগের সভাপতি পিয়া সেনগুপ্তের। তিনি নিজের পদ ছাড়তে নারাজ।
Kolkata,West Bengal
