Last Updated:
Heavy Rainfall Waterlogging: টানা বৃষ্টির জেরে মহেশতলার বিস্তীর্ণ এলাকা সম্পূর্ণ জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। গলি থেকে বড় রাস্তা, এমনকি বহুতল আবাসনের পার্কিং এলাকা জলের তলায় চলে যাওয়ায় জনজীবন বিপর্যস্ত। বাড়িতে জল ঢুকে যাওয়ার পাশাপাশি এলাকায় মশার উপদ্রব বৃদ্ধি পেয়েছে। ডেঙ্গি ও অন্যান্য মশাবাহিত রোগের আতঙ্ক দেখা দিয়েছে এলাকায়।
মহেশতলা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, নবাব মল্লিক: মহেশতলায় জমা জলে বন্দি সাধারণ মানুষজন। ফলে স্বাভাবিকভাবেই এই সমস্যার সমাধানের দাবি উঠছে। মহেশতলা পুরসভার ২৬, ২৭, ২৮ ও ৩০ নম্বর ওয়ার্ড সহ আরও একাধিক ওয়ার্ডের বিস্তীর্ণ এলাকায় জল জমে রয়েছে। গলি থেকে বড় রাস্তা, সাধারণ পাড়া থেকে বহুতল আবাসন সর্বত্র একই চিত্র। জল না নামায় যাতায়াতে চরম দুর্ভোগের পাশাপাশি মশার উপদ্রব বেড়েছে। বিভিন্ন রোগের আশঙ্কাও বাড়ছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। মীরপুর খাল সংস্কার না হওয়ায় এই সমস্যা চলছে বলে দাবি স্থানীয়দের।
পাম্প বসিয়েও কোন কাজ হচ্ছে না কার্যত। একাধিক বাড়ির নীচতলা ও প্রবেশপথ জলমগ্ন। পার্কিং এলাকায় জল জমে থাকছে। নিত্যদিনের জীবনযাত্রা আরও কঠিন হয়ে উঠেছে। চারপাশে জল জমে থাকায় সমস্যায় পড়তে হচ্ছে সাধারণ মানুষজনের। তাঁদের দাবি জমা জলের কারণে মশার উপদ্রব এতটাই বেড়েছে যে দিনের বেলাতেও মশারির মধ্যে থাকতে হচ্ছে। এর মধ্যেই খালে জল ধারণক্ষমতা কমে গিয়েছে। পাম্প চালিয়েও দ্রুত জল বের করা সম্ভব হচ্ছে না। ভারী বৃষ্টি হলেই প্রতিবছর একই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
প্রথমে ড্রেজিং করে খালগুলিতে গতি আনার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। পরিস্থিতি এমন যে ড্রেজিং করেও এই সব খালে বর্ষার সময়ে গতি আনা যায়নি। বসতি এলাকার জল পাম্প করে এই সব খালে ফেলেও লাভ হয় না। অবস্থা এমন যে বছরের কোনও সময়েই জল সরতে চায় না। অপরিকল্পিত নগরায়নের ফলেই খালগুলির এই দুর্দশা। শীর্ণ, সঙ্কীর্ণ এক জলের ধারা শুধু খালের অস্তিত্বের জানান দেয়। কোথাও আবার সেই অস্তিত্বটুকুও নেই। ফলে বর্ষায় এই সমস্যা বাড়ে।
South Twenty Four Parganas,West Bengal