Last Updated:
Indian Railways: শিয়ালদহ ডিভিশনে এখনও ১৩টি কাজের অনুমোদন বাকি ছিল। এই বিষয়টি নিয়ে সম্প্রতি মুখ্য সচিবের সঙ্গে জরুরি বৈঠক করেন পূর্ব রেলের জেনারেল ম্যানেজার। সেই বৈঠকের পর থেকেই ওই সব কাজের অনুমতি দেওয়ার প্রক্রিয়ায় তৎপরতা শুরু হয়েছে।
নয়াদিল্লি: রেলের নতুন পরিকাঠামো তৈরির ক্ষেত্রে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছিল অনুমতি৷ সময়ানুবর্তিতা বজায় রেখে দ্রুত গতির ট্রেন চালাতে চায় কেন্দ্র। ট্রেনের গতি বাড়াতে গেলে, প্রয়োজন বাধাহীন যাত্রাপথ। গত কয়েক বছর ধরে তাই প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল রেলওয়ে ওভারব্রিজ ও লিমিটেড হাইট সাবওয়ে তৈরির। খরচ সমস্ত দিতে প্রস্তুত ছিল রেল মন্ত্রক। রাজ্যের কাছে বারবার আবেদন করেও মেলেনি জমি। ফলে হাওড়া, শিয়ালদহ, আসানসোল ও মালদহ ডিভিশনে দিনের বিভিন্ন সময়ে মন্থর গতিতে চলে ট্রেন। রেলের বক্তব্য, রোড ওভার ব্রিজ তৈরির ক্ষেত্রে দীর্ঘ সময় ধরে অনুমতির অপেক্ষায় বসে থাকতে হয়েছে। সমস্যা এমন জায়গায় পৌঁছে যায় যে সিদ্ধান্ত বদল করতে হয়। এই অবস্থায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় সাবওয়ে তৈরি করবে রেল।
অভিযোগ, সেক্ষেত্রেও মিলছিল না সাহায্য অভিযোগ রেলের। প্রসঙ্গত, পরিসংখ্যান বলছে গত এক বছরে বারবার অনুমতি চাইলেও হাওড়া ডিভিশনে বাকি ছিল ২২ কাজের অনুমতি। মালদহ ডিভিশনে বাকি ছিল। ১২ কাজের অনুমতি।
শিয়ালদহ ডিভিশনে বাকি ছিল ১৩ কাজের অনুমতি। সম্প্রতি মুখ্য সচিবের সাথে এই বিষয়ে জরুরি বৈঠক করেন পূর্ব রেলের জেনারেল ম্যানেজার। আর তারপরেই নাড়াচাড়া শুরু হয়েছে এই সব কাজের অনুমতি দেওয়ার ক্ষেত্রে।
প্রসঙ্গত, পরিসংখ্যান বলছে গত এক বছরে বারবার অনুমতি চাইলেও হাওড়া ডিভিশনে বাকি ছিল ২২ কাজের অনুমতি। মালদহ ডিভিশনে বাকি ছিল ১২ কাজের অনুমতি। শিয়ালদহ ডিভিশনে বাকি ছিল ১৩ কাজের অনুমতি। পূর্ব রেলওয়ের জেনারেল ম্যানেজার মিলিন্দ দেওস্কর সমস্ত প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে গিয়ে এই প্রকল্পগুলিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রচেষ্টায় ব্যক্তিগতভাবে নেতৃত্ব দেন। সম্প্রতি, মুখ্যসচিবের সাথে এই বিষয়ে জরুরি বৈঠক করেন পূর্ব রেলের জেনারেল ম্যানেজার। আর তারপরেই নাড়াচাড়া শুরু হয়েছে এই সব কাজের অনুমতি দেওয়ার ক্ষেত্রে।
এই অবহেলার সবচেয়ে উদ্বেগজনক উদাহরণটি হাওড়া স্টেশনের কাছে বেনারস এবং চন্দ্রিমা রোড ওভার ব্রিজ। বেশ কয়েক মাস ধরে, রেল প্রশাসন এই সেতুগুলির অবস্থা সম্পর্কে জরুরি সতর্কতা জারি করেছিল। ১০ ফেব্রুয়ারি একটি উচ্চ-পর্যায়ের বৈঠকে রাজ্য সরকার প্রতিস্থাপন বা মেরামতের কাজ শুরু করার জন্য এক সপ্তাহের মধ্যে ট্রাফিক ব্লক দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। তবুও সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করা হয়নি। বিদায়ী সরকার যখন অনুমোদন ঝুলিয়ে রেখেছিল, তখন চন্দ্রিমা ব্রিজে মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। যেখানে রাজ্যের এখতিয়ারভুক্ত ব্রিজের ভাঙা অংশ থেকে পড়ে নাগরিকরা হতাহত হয়েছেন, যা মানুষের জীবনের প্রতি চরম অবহেলাকে তুলে ধরে।
