Last Updated:
Mahua Moitra: লোকসভায় তৃণমূলে বিদ্রোহের জেরে উত্তাল রাজনীতি, কাকলির দাবির পর বিস্ফোরক মহুয়া। কী বললেন?
নয়াদিল্লি: বিদ্রোহী তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার দাবি করেছেন, তিনি-সহ প্রায় ২০ জন সাংসদ ন্যাশনাল ডে মোক্রেটিক অ্যালায়েন্স (এনডিএ)-র সঙ্গে নিজেদের যুক্ত করার আবেদন জানিয়েছেন। এই দাবির কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই দলের সাংসদ মহুয়া মৈত্র ওই সাংসদদের কড়া ভাষায় আক্রমণ করে তাঁদের ‘লোভী ও স্বার্থপর বিশ্বাসঘাতক’ বলে আক্রমণ করলেন।
সোমবার কাকলি ঘোষ দস্তিদার জানান, প্রায় ২০ জন তৃণমূল সাংসদ লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার কাছে একটি চিঠি জমা দিয়েছেন। সেই চিঠিতে তাঁরা আলাদা গোষ্ঠী হিসেবে স্বীকৃতি চেয়ে এনডিএ-র সঙ্গে থাকার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। তাঁর ইঙ্গিত, সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফলের পরই এই ভাঙনের সূত্রপাত। এর পরেই সামাজিক মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে মহুয়া মৈত্র বলেন, ”২০২৪ সালে এই সাংসদরা তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতীকে জয়ী হয়েছিলেন। মানুষের রায় এনডিএ-র পক্ষে ছিল না। হলুদ প্যান্ট পরা সব লোভী ও স্বার্থপর বিশ্বাসঘাতকেরা এখন বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন। আগে সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিন, তারপর বিজেপির টিকিটে ভোটে লড়ুন। দেখা যাক, কত বড় বীর আপনারা।”
এর আগেও মহুয়া মৈত্র বিদ্রোহী সাংসদদের সমালোচনা করে বলেছিলেন, তাঁরা দলের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জনপ্রিয়তার উপর নির্ভর করেই জয়ী হয়েছেন এবং বিরোধী শিবিরে থেকে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার মানসিকতা তাঁদের নেই। এই রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেই তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং একাধিক শীর্ষ নেতা ইন্ডিয়া জোটের বৈঠকে যোগ দিতে নয়াদিল্লিতে পৌঁছেছেন।
অন্যদিকে, বিদ্রোহী সাংসদদের একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এবং বিজেপির পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচনী দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা ভূপেন্দ্র যাদবের মতিলাল নেহরু মার্গের বাসভবনে। সূত্রের খবর, ওই বৈঠকে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও উপস্থিত ছিলেন। নিউজ ১৮ সূত্রে জানা গিয়েছে, বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিদ্রোহী সাংসদ প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায় (হাওড়া), শর্মিলা সরকার (বর্ধমান পূর্ব), জগদীশচন্দ্র বসুনিয়া (কোচবিহার), অরূপ চক্রবর্তী (বাঁকুড়া), কালিপদ সোরেন (ঝাড়গ্রাম), বাপি হালদার (মথুরাপুর) এবং অসিত মাল (বোলপুর)। উল্লেখযোগ্য ভাবে, বিদ্রোহী শিবিরে প্রায় ২০ জন সাংসদ থাকার ফলে দলত্যাগ-বিরোধী আইনের অধীনে প্রয়োজনীয় দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যার সীমা অতিক্রম করার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
Kolkata,West Bengal
Jun 08, 2026 10:30 PM IST
