Last Updated:
ধর্মতলায় নয়, বিড়লা প্ল্যানেটোরিয়ামের সামনে হবে ২১ জুলাইয়ের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভা। এবার ঋতব্রত ঘনিষ্ঠ নেতারাও গান্ধিমূর্তির পাদদেশে ২১ জুলাইয়ের সভা করবেন। ২১ জুলাই নিয়ে নিজেদের পরিকল্পনা জানালেন তৃণমূল নেত্রী।
কলকাতা: এবার ধর্মতলায় নয়, বিড়লা প্ল্যানেটোরিয়ামের সামনে হবে ২১ জুলাইয়ের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভা। মমতার পাশাপাশি ঋতব্রত ঘনিষ্ঠ নেতারাও গান্ধিমূর্তির পাদদেশে ২১ জুলাইয়ের সভা করবেন বলে জানা গিয়েছে। ২১ জুলাই নিয়ে নিজেদের পরিকল্পনা জানালেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
তিনি বলেন, “আপনারা জানেন শহীদ তর্পণ আমরা ৪০ বছর ধরে করে আসছি। এবারেও শহীদ তর্পণ আছে। আমরা প্রতিবার তাদের স্মরণ করি। ‘নো আইডি কার্ড, নো ভোট’, এই লড়াইটা আমাদের কর্মীরা করেছিল, আমি যখন যুব কংগ্রেসের সভাপতি ছিলাম। সেই সময় আমি নিজেও আক্রান্ত হয়েছিলাম”।
সেই সঙ্গে ওই অনুষ্ঠান নিয়ে আরও বলেন, “২১শে জুলাই শহীদ পরিবারদেরও বলব, আসবেন। আমি জানি এরা হয়তো ডেকোরেটরকে ভয় দেখাবে, মাইকম্যানকে ভয় দেখাবে, আমি বলব এটা না করতে, প্রশাসন যেন নিরপেক্ষতার সঙ্গে কাজ করেন, এটা আমার অনুরোধ থাকবে। তারপরে যদি ভাবেন এটাও করবেন, তাহলে জেনে রাখবেন আমরা কিন্তু খালি গলাতেও বক্তৃতা দিতে পারি। তার আয়োজনও আমরা করে রাখব। দরকার হলে রিকশায় দাঁড়িয়েও মিটিং হবে, ঠেলা গাড়িতেও মিটিং হবে। হকারদের ভ্যানে দাঁড়িয়েও মিটিং হবে। মিটিং করব বলেছি যখন করবই। আগের দিন আমি নিজে জায়গা দেখতে যাবো যেমন প্রতিবার আমি ২০শে জুলাই সন্ধ্যাবেলায় দেখতে যাই, সেরকম যাবো। আশা করি পুলিশ সহযোগিতা করবেন”।
একে একে তাঁর সঙ্গ ছেড়েছেন অনেক তৃণমূল নেতাই, শেষ সংযোজন মদন মিত্র। তাঁদের উদ্দেশে মমতা বলেন, “আমি মানুষের কাছে করজোড়ে ক্ষমা চাইছি, এই বেইমানদের জন্য। আমাদের প্রতীকে আপনারা তাদের জিতিয়েছেন, আমরা দুঃখিত, ক্ষমাপ্রার্থী। এদের অনেক লাগেজ ব্যাগেজ আছে, আগে কেউ আমাদের রিপোর্ট করেনি। আমি যার সম্পর্কে জেনেছি, আমি অ্যাকশন নিয়েছি। কিন্তু যেটা আমার অজানা, এখন সেই অজানা সত্যিগুলো কোথাও কোথাও জানতে পারছি”।
Kolkata [Calcutta],Kolkata,West Bengal
