Last Updated:
Prawn Farming Cost: চিংড়ি চাষে উৎপাদন খরচ কমানোর উদ্যোগে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এতে চাষিদের লাভ বাড়বে নাকি বাজারে চিংড়ি মাছের দামও কমবে? জেনে নিন এই পরিবর্তনের সম্ভাব্য প্রভাব ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।
কাকদ্বীপ, নবাব মল্লিক: আরও সস্তায় চিংড়ির খাবার তৈরি হচ্ছে কাকদ্বীপে। স্থানীয় উপাদান দিয়ে তৈরি চিংড়ি প্লাস বেশ ফলপ্রসূ হতে চলেছে। চিংড়ির খাবারের দাম কমলে চাষীরা চিংড়ি উৎপাদন করে লাভবান হতে পারবেন। ইতিমধ্যে এই চিংড়ি প্লাস কিনতে আগ্রহী হয়েছেন কৃষকরা। দীর্ঘদিনের গবেষণার ফলে এই খাবার তৈরি করা সম্ভব হয়েছে। কাকদ্বীপের কেন্দ্রীয় নোনা জলজীব পালন অনুসন্ধান কেন্দ্রের আবিষ্কৃত চিংড়ি মাছের ফিড বা খাবারের দাম থাকছে অনেকটাই কম। ফলে হাসি ফুটেছে চিংড়ি চাষিদের মুখে।
চিংড়ি চাষের খরচ কমাতে কাকদ্বীপের কেন্দ্রীয় সংস্থার মৎস্য বিজ্ঞানীরা গবেষণা শুরু করেন। তাঁরা দু’ধরনের চিংড়ির ফিড আবিষ্কার করেছেন ইতিমধ্যে। নাম দেওয়া হয়েছে ‘চিংড়ি প্লাস’ এবং ‘প্লাঙ্কটন প্লাস’। এ নিয়ে সংস্থার কাকদ্বীপ শাখার অধ্যক্ষ ও প্রধান বিজ্ঞানী ডঃ দেবাশিস দে বলেন, নতুন দু’টি ফিড ব্যবহার করে ১১০ দিনে এক একটি চিংড়ি ৩২ গ্রাম ওজনের করা যাচ্ছে। উৎপাদনের ক্ষেত্রে প্রতি কেজিতে খরচ পড়েছে মাত্র ১৫০ টাকা। বাজারে এই চিংড়ির পাইকারি দাম রয়েছে ৪২০ টাকা।
একটি পরিসংখ্যানে দেখা গিয়েছে চিংড়ি চাষ প্রায় ৭০ শতাংশ কমে গিয়েছে আগের থেকে।এর মূল কারণ বাজারে ভেনামি চিংড়ির দাম কমে যাওয়া এবং উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়া। চিংড়ির খাবারের দাম কমলে উৎপাদন খরচ কিছুটা কমবে। ফলে কৃষকরা লাভবান হবেন এবং আগের মত আবারও কৃষকরা এই চিংড়ি চাষ করে বাইরেও রফতানি করতে পারবেন।
চিংড়ি মূলত সর্বভুক ও স্ক্যাভেঞ্জার, প্রকৃতিতে এরা জলজ উদ্ভিদ, শ্যাওলা, প্ল্যাঙ্কটন, মৃত ও পচা জৈব পদার্থ, এবং ছোট পোকামাকড় ও কেঁচো খেয়ে থাকে। বাণিজ্যিকভাবে চাষের ক্ষেত্রে এদের সম্পূরক কৃত্রিম খাবার দিতে হয় তাদের। এই খাবারের দাম কম হলে চাষে লাভ পান কৃকষকরা। কাকদ্বীপের এই গবেষণা কেন্দ্র সেই কারণেই চিংড়ির খাবারের উপর গবেষণা করেছে এবং সাফল্যও লাভ করেছে।
South Twenty Four Parganas,West Bengal
Jul 25, 2026 10:39 PM IST