Last Updated:
Rath Yatra 2026: বারুইপুরের রায়চৌধুরী বাড়ির প্রায় ৩৫০ বছরের প্রাচীন রথযাত্রা। এবারও ভক্তদের ঢল নেমেছে। এই রথযাত্রার সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে সাহিত্য সম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের স্মৃতি। বারুইপুরের ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট থাকাকালীন বঙ্কিমচন্দ্র এই রায়চৌধুরী পরিবারের বড় কুঠি ‘গিরিন্দ্র নিকেতনে’ এসে রথের লোহার শিকল টেনেছিলেন বলে জনশ্রুতি রয়েছে।
বারুইপুর, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, নবাব মল্লিক: দক্ষিণ ২৪ পরগনার রথযাত্রা বললেই সবার প্রথমে যে নাম ভেসে ওঠে তা বারুইপুর রায়চৌধুরী বাড়ির রথ। সকাল থেকে এই রথের রশি টানতে হাজার-হাজার মানুষ ভিড় জমিয়েছেন। এই রথের সঙ্গে জড়িয়ে আছে ইতিহাস ও ঐতিহ্য। ১৮৬৫ থেকে ১৮৬৬ সালের ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত বারুইপুরের ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট ছিলেন সাহিত্য সম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।
সেই সময় রথ উৎসবে বারুইপুর রাসমাঠে রায়চৌধুরী পরিবারের রথ দেখতে উপস্থিত ছিলেন তিনি। জনশ্রুতি সেইসময়ে রথের লোহার শিকল টেনেছিলেন তিনি। তৎকালীন ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির দেওয়া লোহার শিকল দিয়ে টানা হয় রথ। রথ উৎসবকে কেন্দ্র করে নতুন করে রঙ করা হয়েছে রথ। পরিবারের সদস্য অমিয়কৃষ্ণ রায়চৌধুরী বলেন, সাহিত্য সম্রাট বংঙ্কিমচন্দ্র আমাদের বড় কুঠি গিরিন্দ্র নিকেতনে থাকার সময়ে রথের শিকলে টান দিয়েছিলেন। যা আমাদের গর্বের।
গৃহস্থলীর নানা সামগ্রীর পসরা নিয়ে হাজির হয় ব্যাবসায়ীরা। গাছের নানা দোকানও বসে। বিনোদন এর জন্য নাগরদোলা, ড্রাগন ট্রেন তো রয়েছেই। সব মিলিয়ে মেলা হয়ে ওঠে জমজমাটি। দীর্ঘ প্রায় ৩৫০ বছর ধরে রায়চৌধুরী পরিবারের উদ্যোগে একই রীতি-নীতি ও ধর্মীয় আচার মেনে এই উৎসব পালিত হয়ে আসছে। সময় বদলেছে, কিন্তু ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায় কোনও ছেদ পড়েনি।
South Twenty Four Parganas,West Bengal