Last Updated:
Baruipur News Update: বারুইপুরের নির্যাতিতা নাবালিকার দেহ উদ্ধারের দিন, রবিবার, দফায় দফায় উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। বারুইপুর কাণ্ডে স্রেফ সন্দেহের বশে এক যুবককে পিটিয়ে খুন করে একদল জনতা। রেল অবরোধ, সড়ক অবরোধ, অগ্নিসংযোগ থেকে শুরু করে পুলিশের উপর হামলার অভিযোগও ওঠে।
কলকাতা: আসল তৃণমূল, নকল তৃণমূল লড়াইয়ে এবার ঢুকে পড়ল ‘বেইমান’ শব্দ। এবার ১২ বছরের পুরনো এক ‘জেলবন্দি’ সাংসদের চিঠির প্রসঙ্গ উত্থাপন করলেন বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। সাংবাদিক বৈঠকে নাম না করে সেই সময় কুণাল ঘোষের পাঠানো ৯১ পাতার চিঠির কথা এদিন উল্লেখ করেছেন তিনি। বিরোধী দলনেতার অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও সিবিআই ডিরেক্টরকে পাঠানো ওই চিঠিতে দল তুলে দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল। ঋতব্রতের দাবি, ওই চিঠিতে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ‘আসল উপভোক্তা’ বলে উল্লেখ করেছিলেন কুণাল। চিঠির প্রেরক অর্থাৎ কুণালকে বর্তমানে কালীঘাট তৃণমূলের ম্যানেজিং ডিরেক্টর বলে কটাক্ষ করেন ঋতব্রত বন্দোপাধ্যায়। সাংবাদিক বৈঠকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, আগামী ১৫ দিনের মধ্যেই “দিদি”কে ক্যুরিয়ার মারফত চিঠি দেবেন তিনি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সেই ৯১ পাতার চিঠি পড়ার অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।
এদিন ঋতব্র অভিযোগ করেন, ‘‘বেইমান, গদ্দার, রোজ আমাদের বলা হচ্ছে। তবে যত দিন যাবে বেইমান, গদ্দার আরও বলা বাড়বে। আরও অনেককে বলা হবে। ’’ এরপরই নাম না করে বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষকে আক্রমণ করেন তিনি৷ বলেন, ‘‘সম্প্রতি ম্যানেজিং ডিরেক্টর পদে উন্নীত হওয়া এক ব্যক্তি যিনি আমাকে বেইমান বলছেন। তিনি সাংসদ হয়েছিলেন। যিনি সেই অবস্থায় জেলে যান। তার ৯১ পাতার একটা চিঠি পড়েছি। প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সহ প্রাণসখাকে পাঠানো হয়। এটাকেই যেন শেষ বয়ান হিসাবে ধরা হয় সেটাই বলেছিলেন। ’’
ঋতব্রতের কটাক্ষ, ‘‘তিনি দলকে চাঁদা দেন, কিন্তু আবার দুর্নীতি নিয়ে চিঠি দেন সিবিআইয়ের ডিরেক্টর কাছে। তাহলে বলতে হয়, দলের সাংসদ দলের বিরুদ্ধে কি বেইমানি করেছিলেন?’’
নব তৃণমূলের ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ‘পুরানো সেই দিনের’ চিঠির কথা উল্লেখ করে দাবি করেন, ‘‘রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিয়ে সব থেকে বেশি লেখা আছে। দিদির এখন অখন্ড অবসর। বর্তমান ম্যানেজিং ডিরেক্টর থেকে সেই চিঠি নিন দিদি। দল তুলে দেওয়ার সলতে কে পাকিয়েছিল, সেটা দেখুন। আপনি চিঠি চেয়ে নিন ওনার থেকে। নাহলে ১৫ দিন পরে পাঠিয়ে দেব ক্যুরিয়ার করে আপনার কাছে। চিঠিতে লেখা আছে চিটফান্ডের টাকায় চলেন মুখ্যমন্ত্রী। ’’
তিনি বলেন, ‘‘এক প্রাণসখা আর দুই একজনের কাছে এই চিঠি ছিল। দলকে চাঁদা দেওয়া আর একই সাথে দলের দুর্নীতির বিরুদ্ধে তিনি কাজ চালিয়েছেন। তদন্তকারী সংস্থা এবার সেই চিঠি দেখুক। তদন্ত করুন। বেইমানির সলতে কীভাবে পাকিয়েছিলেন সেটা দেখুন। রোমহষর্ক চিঠি। উদ্বৃত্ত ৩০ কোটি টাকা কোথায় যাবে, সেটাও বলা আছে চিঠিতে।’’
