Last Updated:
Suvendu Adhikari: বুধবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, ‘‘আমরা একটা ফর্ম লঞ্চ করছি। মুখ্যসচিব, অথর্সচিবের নেতৃত্বে পুর প্রশাসন অর্থাৎ বিডিও মিউনিসিপ্যালিটির ক্ষেত্রে CEO, কর্পোরেশনের ক্ষেত্রে কমিশনার রাও এতে যুক্ত থাকবেন। হোম পার্ট ডিপার্টমেন্ট রাও এতে যুক্ত থাকবেন। ওয়েবেল আইটি সবাই মিলে একটি পরিচ্ছন্ন তালিকা কেবলমাত্র উপযুক্ত প্রাপক পান, এটা চাই ৷’’
কলকাতা: আজ, বৃহস্পতিবার আকাশপথে মায়াপুর যাবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী৷ এদিন সকাল সাড়ে ৯ টা নাগাদ চিনার পার্কের বাড়ি থেকে কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছনোর কথা শুভেন্দুর৷ তারপরে বেলা ১০টা নাগাদ কলকাতা বিমানবন্দর থেকে আকাশপথে রওনা হবেন মায়াপুরের উদ্দেশে৷ সূত্রেরব খবর, মায়াপুরে আনুমানিক ২ ঘণ্টা থাকবেন মুখ্যমন্ত্রী৷ তারপরে মায়াপুর থেকে আকাশ পথে হেলিকপ্টারে করে ডুমুরজোলা স্টেডিয়ামে নামবেন শুভেন্দু৷ তারপরে, সেখান থেকেই যাবেন নবান্ন৷ সন্ধ্যায় কাজ শেষে নবান্ন থেকে বের হবেন চিনার পার্কের উদ্দেশে৷
বুধবার নবান্ন থেকে ‘অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার’ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী৷ অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্ম আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করে তিনি জানান, ‘‘ইতিমধ্যেই আমাদের ভারতীয় জনতা পার্টি সংকল্প পত্রে আমরা জানিয়েছিলাম, সরকার গঠনের পরেই আমরা অন্নপূর্ণা যোজনার সূচনা করব এবং উপযুক্ত মহিলারা ১৫০০ এর পরিবর্তে ৩০০০ টাকা করে পাবেন।’’
মুখ্যমন্ত্রী জানান, আগামী ১ জুন থেকে পরবর্তী ৯০ দিন ধরে চলবে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের এই আবেদন প্রক্রিয়া৷ অনলাইন তো বটেই, এমনকি, অফলাইনেও করা যাবে প্রকল্পের জন্য আবেদন৷ এছাড়াও, যাঁরা অনলাইন বা অফলাইনে আবেদন করতে পারবেন না, তাঁদের জন্য বাড়ি বাড়িও যাবেন আধিকারিকেরা৷
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর আশ্বাস, ‘‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার যোজনার কর্মসূচি ততদিন চালু রাখব, যতক্ষণ না অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্ম ফিল আপ বা এনরোলমেন্ট কমপ্লিট হচ্ছে৷’’
অন্নপূর্ণা যোজনার পাশাপাশি, বুধবার বিএসএফ-কে জমি হস্তান্তর করা নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী৷ সোশ্যাল মিডিয়ার পোস্টে লেখেন, ‘সীমান্ত সুরক্ষায় আরও নিবিড় পদক্ষেপ গ্রহণ করল বর্তমান রাজ্য সরকার। প্রাথমিক পর্বের পর আবারও বিএসএফ-কে নতুন পর্যায়ে জমি হস্তান্তর করায় মোট হস্তান্তরিত জমির পরিমাণ বেড়ে দাঁড়াল ১৪২.৭৯ একর। এই জমিতে বিএসএফ আউটপোস্ট ও কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের ফলে সীমান্ত এলাকা আরও সুরক্ষিত হবে’।
প্রসঙ্গত, * কোচবিহার:- ২২.৯৫ একর
* জলপাইগুড়ি:- ৩৫.১৬৫ একর
* দার্জিলিং:- ৮.৮১৫ একর
* উত্তর দিনাজপুর :- ২.৮৪ একর
* দক্ষিণ দিনাজপুর :- ২০.১৭০১ একর
* মালদা :- ১০.৯০ একর
* মুর্শিদাবাদ :- ৩৮.৮০৫ একর
* নদীয়া :- ০.৫৫ একর
* উত্তর ২৪ পরগনা :- ২.৬ একর জমি হস্তান্তরিত করা হয়েছে৷
মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, রাজ্য সরকারের মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকে গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ৪৫ দিনের মধ্যে ৬০০ একর জমি হস্তান্তরের লক্ষ্য পূরণের পথে এই পদক্ষেপ একটি বিশেষ মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত হল।
