Last Updated:
Tamil Nadu custodial death: বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে উত্তাপ ছড়াল তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে৷ মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের ঘটনায় নিরব থাকা নিয়ে সরব বিরোধী দল ডিএমকে৷
তামিলনাড়ু: তামিলনাড়ুর একটি সাব-জেলে বিশেষভাবে সক্ষম এক ব্যক্তির রহস্যজনক মৃত্যু৷ ঘটনায় গ্রেফতার তিন কারাকর্মী৷ এই ঘটনায় বিজয়কে কটাক্ষ তামিলনাড়ুর বিরোধী দল ডিএমকে৷ ডিএমকের অভিযোগ, যে ইস্যুতে বিরোধী নেতা থাকাকালীন সরব ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী সি. জোসেফ বিজয়, এখন ক্ষমতায় এসে সেই ঘটনায় তিনি নীরব রয়েছেন।
ঘটনাটি সামনে আসে কন্যাকুমারী জেলার একটি সাব-জেলে ৩৫ বছর বয়সি সাবারি বর্মনের মৃত্যুর পর। পুলিশের তদন্তে জেলের ভিতরে তাঁর উপর হামলার প্রমাণ মিলেছে বলে দাবি করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই প্রধান ওয়ার্ডেন এন. সুরেশ-সহ তিন জন কারাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ৯ জুলাই গুটখা-সংক্রান্ত একটি মামলায় সাবারি বর্মনকে গ্রেফতার করে সাউথ থামারাইকুলাম থানার পুলিশ। এরপর তাঁকে কন্যাকুমারী জেলার ওই সাব-জেলে রাখা হয়। ১৩ জুলাই তাঁর মৃত্যু হয়।
মৃত্যুর পর হাসপাতালের বাইরে জড়ো হয়ে পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করেন, জেলের ভিতরে তাঁকে মারধর করা হয়েছিল। ময়নাতদন্তের রিপোর্টে তাঁর শরীরে ১৯টি আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
পরবর্তী তদন্তে সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে পুলিশ জানতে পারে, ১২ জুলাই রাতে জেলের ভিতরে একটি বচসার সময় সাবারি বর্মনকে কারারক্ষীরা মারধর করেছিলেন বলে অভিযোগ।
এই ঘটনায় রাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্বে থাকা মুখ্যমন্ত্রী বিজয়কে সরাসরি নিশানা করেছে ডিএমকে। বিরোধী দলনেতা উদয়নিধি স্ট্যালিন বলেন, পুলিশ দফতরের দায়িত্ব যাঁর হাতে, তাঁকেই এই হেফাজতে মৃত্যুর ঘটনার পূর্ণ ব্যাখ্যা দিতে হবে।
ডিএমকে আরও দাবি করেছে, বিরোধী নেতা থাকাকালীন হেফাজতে মৃত্যুর ঘটনায় যেভাবে সরব হয়েছিলেন বিজয়, এখন সেই একই বিষয়ে তাঁর নীরবতা প্রশ্ন তুলছে। দলের নেতা পরন্থামেন স্মরণ করিয়ে দেন, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এম. কে. স্ট্যালিন-এর আমলে একটি হেফাজতে মৃত্যুর ঘটনায় স্ট্যালিন প্রকাশ্যে দায় স্বীকার করে নিহতের পরিবারের কাছে ক্ষমা চেয়েছিলেন।
পরন্থামেনের দাবি, “সেই সময় বিজয় বলেছিলেন, ‘স্যার, আমাদের ক্ষমা নয়, বিচার চাই।’ আজ তামিলনাড়ুর মানুষই বিজয়কে বলছেন, ‘আমাদের রিলস নয়, বিচার চাই।’ ডিএমকের মুখপাত্র হাফিজুল্লাহ-ও একই সুরে বলেন, বিরোধী নেতা থাকাকালীন বিজয় হেফাজতে মৃত্যুর ঘটনাকে বড় রাজনৈতিক ইস্যু করেছিলেন। কিন্তু এখন তাঁর সরকারের আমলে পুলিশের অত্যাচারের জেরে জেলের ভিতরে এক বন্দির মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।’’
Kolkata,West Bengal
