Last Updated:
The Gangster-Operative Model: লাহোরের গ্যাংস্টার শাহজাদ ভাট্টিকে কম খরচে কাজে লাগায় পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা ISI৷ দেশজুড়ে উগ্রপন্থা ছড়ানো এবং অপরাধমূলক অস্থিরতা তৈরির ভয়ঙ্কর ছক কষে পাক গোয়েন্দা সংস্থা
নয়াদিল্লি: ভারতে ‘হাইব্রিড ওয়ারফেয়ার’ চালানোর ভয়ঙ্কর ছক কষেছিল পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা ISI৷ দেশের নিরাপত্তা সংক্রান্ত এক বিপজ্জনক দিকের সন্ধান পেল গোয়েন্দারা৷ শীর্ষ গোয়েন্দা সূত্রের দাবি, আইএসআই লাহোরের গ্যাংস্টার শাহজাদ ভাট্টিকে সক্রিয়ভাবে ব্যবহার করছে৷ কম খরচেই ‘প্রক্সি’ হিসেবে কাজ করেছে ভাট্টি, দাবি গোয়েন্দা সূত্রে৷ দেশে সন্ত্রাসবাদ, লক্ষ্যভিত্তিক উগ্রপন্থা ছড়ানো এবং অপরাধমূলক অস্থিরতা তৈরির মতো কাজ করেছে এই ভাট্টি৷
ভাট্টি আগে দুবাই থেকে কার্যকলাপ পরিচালনা করলেও পরে পাকিস্তানে চলে যায় এবং সেখানে রাষ্ট্র-সমর্থিত নিরাপত্তা সুরক্ষার আওতায় কাজ করছেন বলে গোয়েন্দাদের দাবি। তাঁকে ‘গ্যাংস্টার থেকে অপারেটিভে রূপান্তরিত’ মডেলের একটি উদাহরণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই কৌশলের মাধ্যমে পাকিস্তান সরাসরি জড়িত থাকার প্রমাণ এড়িয়ে ভারতের সীমান্তবর্তী রাজ্য ও বড় শহরগুলিতে নিরাপত্তা চাপ বজায় রাখতে পারছে।
আইএসআই-এর গুরুত্বপূর্ণ সহযোগী হিসেবে শাহজাদ ভাট্টি সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে প্রচার ও নিয়োগের কাজ করে৷ বেশ দক্ষতার সঙ্গেই এই কাজ করেন ভাট্টি৷ তাঁর নেটওয়ার্ক মূলত ভারতের দুর্বল ও সহজে প্রভাবিত তরুণদের লক্ষ্য করে। তাদের বিভিন্ন স্থানীয় মডিউলে যুক্ত করা হয় এবং গ্রেনেড হামলা, পুলিশ কর্মীদের লক্ষ্য করে আক্রমণ, জনসম্পত্তি নষ্ট করা-সহ ঝুঁকিপূর্ণ কাজের জন্য ব্যবহার করা হয়। এই কর্মকাণ্ডের অর্থ জোগাতে সীমান্ত পেরিয়ে মাদক পাচারভিত্তিক নার্কো-টেরর নেটওয়ার্কের মাধ্যমে নিয়মিত অর্থ সরবরাহ করা হচ্ছে বলে তদন্তে উঠে এসেছে। এর মূল উদ্দেশ্য পাঞ্জাব এবং অন্যান্য কৌশলগত সীমান্ত এলাকায় সাম্প্রদায়িক ও সামাজিক অস্থিরতা সৃষ্টি করা।
ভাট্টির সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হল ‘তেহরিক-ই-তালিবান হিন্দুস্তান’ (TTH) নামে একটি ফ্রন্ট সংগঠন গঠন। এই ব্যানারের আড়ালে প্রচার অভিযান চালানোর পাশাপাশি পরিকল্পিত হত্যার চক্রান্তও করা হয়েছে বলে অভিযোগ। ২০২৬ সালের মে মাসে একাধিক আন্তঃরাজ্য মডিউল ভেঙে দেওয়ার পর এই নেটওয়ার্কের ব্যাপকতা সামনে আসে।
Kolkata,West Bengal
