Last Updated:
মন্টুবাবু জানিয়েছেন, প্রথমে ২ বছরের চুক্তিতে ওই বাড়ি ভাডা় নেয় তৃণমূল৷ পরে আরও ২ বছরের জন্য চুক্তিবৃদ্ধি করা হয়৷
মালিকানা বুঝে নিতে গিয়েছিলেন৷ কিন্তু তৃণমূল ভবনে গিয়ে হতাশ হয়েই ফিরতে হল বাড়ির আসল মালিক মন্টু সাহাকে৷ কারণ তৃণমূল ভবনে গেলেও কারও দেখাই পেলেন না মন্টুবাবু৷
ই এম বাইপাস লাগোয়া মেট্রোপলিটনে যে বহুতল ভাড়া নিয়ে তৃণমূল ভবন তৈরি করা হয়েছিল, সেটির মালিক কলকাতার নাম করা ডেকরেটর্স ব্যবসায়ী মন্টু সাহা৷ এ দিন নিজের ছেলেকে নিয়ে মেট্রোপলিটনের ওই বাড়িতে যান মন্টু সাহা৷ উদ্দেশ্য ছিল বাড়ি ফেরত নেওয়া নিয়ে তৃণমূল নেতৃত্বের সঙ্গে কথা বলা৷ যদিও এ দিন তৃণমূল ভবনে কেউ ছিলেনই না৷ ফলে বাড়ির দারোয়ানের সঙ্গে কথা বলেই ফিরে আসতে হয় মন্টুবাবু এবং তাঁর ছেলেকে৷
ঘনিষ্ঠ মহলে মন্টুবাবু অভিযোগ করেছেন, তৃণমূলের কেউই তাঁর ফোন ধরছেন না৷ তাই বাধ্য হয়েই তাঁকে এ দিন তৃণমূল ভবনে আসতে হয়েছিল৷ কিন্তু সেখান থেকেও হতাশ হয়েই ফিরতে হয় তাঁদের৷ তৃণমূলের পক্ষ থেকে কারও দেখা না পেয়ে বাড়ির ছাডা়র কথা জানিয়ে তৃণমূল নেতৃত্বের উদ্দেশে একটি চিঠি দেওয়ার কথা ভেবেছেন বাড়ির মালিক মন্টু সাহা৷ সেই চিঠির উত্তর না পেলে এবং বাড়ির দখল না ছাড়লে আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন মন্টু সাহা এবং তাঁর ছেলে৷
রাজ্যে পালাবদলের পরই মণ্টু বাবু জানিয়েছিলেন, এবার তৃণমূল ভবন হিসেবে ব্যবহৃত ওই বাড়িটি ফেরত চান তিনি৷ কারণ হিসেবে মন্টু বাবু জানিয়েছিলেন, ইতিমধ্যেই তৃণমূলের সঙ্গে তাঁর চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়েছে৷ তাছাড়া রাজ্যের বর্তমান পরিস্থিতিতে ওই বহুতলে তৃণমূল ভবন থাকলে বাড়িটির ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কাও প্রকাশ করেন মন্টুবাবু৷
তপসিয়ায় পুরনো তৃণমূল ভবনে সংস্কার শুরু হওয়ায় ২০২২ সালে ইএম বাইপাসের মেট্রোপলিটন এলাকার এই বহুতলটি ভাড়া নিয়েছিল তৃণমূল৷ মন্টুবাবু আগে জানিয়েছিলেন বাড়ি ছাড়ার জন্য তৃণমূল নেতৃত্বকে দু মাস সময় দিয়েছেন তিনি৷ এখনও পর্যন্ত তৃণমূল নেতৃত্ব বাড়ি ভাড়া বাবদ তাঁর সব পাওনাই মিটিয়েছে বলেও দাবি মন্টু সাহার৷
বাড়ির মালিক মন্টু সাহার ছেলে অমিত সাহা বলেন, ‘বাড়ি ভাড়ার চুক্তি শেষ হয়ে গিয়েছে৷ তাই এখন বাড়ি ফেরত চাইছি৷ কিন্তু তৃণমূলের কারও সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছি না৷ তাই হাতজোড় করে বলছি, আমাদের বাড়ি আমাদের ফেরত দিন৷’
Kolkata,West Bengal
