Last Updated:
শনিবার সকালে ‘বিক্রম-১’ উৎক্ষেপণ নিয়ে এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। লিখেছেন, ‘ভারতের মহাকাশ যাত্রায় এক নতুন দিগন্ত খুলে গেল!
মহাকাশে পাড়ি দিল দেশের প্রথম অরবিটাল রকেট ‘বিক্রম-১’। শনিবার দুপুর ১২টা ৫ মিনিটে অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীহরিকোটা থেকে সেটির উৎক্ষেপণ করা হয়। প্রাথমিক ভাবে শনিবার সকাল সাড়ে ১১টায় বিক্রম-১ লঞ্চ করার কথা ছিল। কিন্তু তার ঠিক ৫ মিনিট আগেই তা স্থগিত করে দেওয়া হয়। ঠিক কী কারণে শেষ মুহূর্তে এই সিদ্ধান্ত, তা স্পষ্ট নয়। তার পরে দুপুর ১২টা ৫ মিনিটে রকেটটি শেষপর্যন্ত মহাকাশের উদ্দেশে রওনা দেয়।
ভারতের মহাকাশ অভিযাত্রা ইতিহাস গড়ল। হায়দরাবাদ-ভিত্তিক স্কাইরুট অ্যারোস্পেস-এর ‘বিক্রম-১’ (Vikram-1) শনিবার যাত্রা শুরু করল। এটি শুধু সংস্থাটির জন্যই নয়, গোটা দেশের জন্যও এক ঐতিহাসিক মাইলফলক। বেসরকারি সংস্থার মাধ্যমে কক্ষপথে রকেট উৎক্ষেপণে সক্ষম বিশ্বের তৃতীয় দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করল ভারত।
ভারতের মহাকাশ কর্মসূচির জনক ড. বিক্রম সারাভাই-এর নামে নামকরণ করা বিক্রম-১-কে অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীহরিকোটায় ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা (ISRO)-র উৎক্ষেপণ কেন্দ্র থেকে উৎক্ষেপণ করা হয় শনিবার।
সাততলা ভবনের সমান উচ্চতার এই রকেটটি পৃথিবীর পৃষ্ঠ থেকে ৪৫০ কিলোমিটার উচ্চতায় অবস্থিত লো আর্থ অরবিট (Low Earth Orbit)-এর উদ্দেশে যাত্রা করল। আমেরিকা ও চিনের পর ভারতই হল বিশ্বের তৃতীয় দেশ, যেখানে কোনও বেসরকারি সংস্থা কক্ষপথে রকেট উৎক্ষেপণ সম্ভব হল।
‘মহাকাশে ক্যাব সার্ভিস’:
স্কাইরুটের দাবি, তারা এমন একটি পরিষেবা চালু করতে চায়, যাকে তারা ‘মহাকাশে ক্যাব সার্ভিস’ বলে অভিহিত করছে। অর্থাৎ, ঠিক যেমন সহজে একটি ক্যাব বুক করা যায়, তেমনই ভবিষ্যতে সংস্থাগুলি একটি রকেট ভাড়া করে নির্দিষ্ট কক্ষপথে উপগ্রহ স্থাপন করতে বা মহাকাশ স্টেশনে পৌঁছতে পারবে।
২০২২ সালের নভেম্বর মাসে সফলভাবে সম্পন্ন হওয়া ‘বিক্রম-এস’ (Vikram-S)-এর সাব-অরবিটাল মিশনের পর বিক্রম-১ স্কাইরুটের উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনার পরবর্তী বড় পদক্ষেপ। ‘অপারেশন প্রারম্ভ’ (Operation Prarambh) নামে পরিচিত ওই উৎক্ষেপণ ভারতের রকেট উৎক্ষেপণ সক্ষমতায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছিল এবং দেশকে মহাকাশে সরাসরি প্রবেশাধিকারের ক্ষেত্রে এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছিল।
Kolkata,West Bengal
Jul 18, 2026 12:05 PM IST
