লখনউ: কলকাতা নাইট রাইডার্সকে আইপিএল চ্যাম্পিয়ন করেও চাকরি হারিয়েছিলেন। পঞ্জাব কিংসকে প্রথম মরশুমেই আইপিএল ফাইনালে তুলেছিলেন। এবারও শুরুটা হয়েছিল দুর্দান্তভাবে। পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে ছিল পঞ্জাব কিংস (Punjab Kings)।
কিন্তু সব ওলটপালট হয়ে যায় লাগাতার ৬ হারে। প্লে অফও বিপন্ন হয়ে পড়ে। যদিও শেষ ম্যাচে দুরন্ত সেঞ্চুরি করে দলকে জিতেছেন সেই শ্রেয়স আইয়ার (Shreyas Iyer)। প্লে অফের লড়াইযে এখনও রয়েছে পঞ্জাব।
শ্রেয়স আইয়ার শনিবার তাঁর প্রথম IPL শতরান করেন, যা লখনউ সুপার জায়ান্টসের বিরুদ্ধে পঞ্জাব কিংসকে ৭ উইকেটে ম্যাচ জিতিয়েছে। এটি পঞ্জাবের জন্য ডু অর ডাই ম্যাচ ছিল, কারণ তারা হারলে PBKS টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে যেত। এখন তাদের নজর MI বনাম RR ম্যাচের দিকে। পঞ্জাবের কোচ রিকি পন্টিং বলেছেন যে, ড্রেসিংরুমে আজ পুরো দল একসঙ্গে এই ম্যাচটি দেখবে। অন্যদিকে, আইয়ার জানিয়েছেন যে LSG-এর বিরুদ্ধে ম্যাচের আগে তিনি কোচের কাছে অনুরোধ করেছিলেন যাতে টিম মিটিং না করা হয়।
শ্রেয়স আইয়ার উইনিং শট নেন। যেটি ছিল বিশাল একটি ছক্কা। তাতেই শতরান (১০১) পূর্ণ করেন। এই ইনিংসে তিনি ৫টি ছক্কা এবং ১১টি চার মারেন। প্লেয়ার অফ দ্য ম্যাচ হওয়ার পরে আইয়ার বলেন, “আমি খুব খুশি, এটা আমার প্রথম শতরান, এবং লাগাতার ছ’টি হারের পর অবশেষে আমরা জিতেছি। এখন আমরা মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে সমর্থন করব। প্রথম ওভারে ১৬ রান দেওয়ার পরেও বোলিং পারফরম্যান্সে আমি খুব খুশি, আজমত অসাধারণ বোলিং করেছে। এমন পরিস্থিতিতে সবকিছু গতির উপর নির্ভর করে।”
আইয়ার আরও বলেন, “আমি জানি যে যদি ক্রিজে নিজেকে একটু সময় দিই এবং শুরু থেকে দাপট দেখানোর পরিবর্তে সঠিক সময়ে প্রত্যাঘাত করি, তাহলে ভাল ইনিংস খেলতে পারি। প্রভসিমরন সিংহের টেম্পেরামেন্ট খুব ভাল ছিল। ম্যাচ শেষ করা এবং শতরান করা একটা দারুণ অনুভূতি।”
আরও পড়ুন: এই ব্যবধানে জিতলেই প্লে অফের টিকিট পাকা! কেকেআরের সামনে কী অঙ্ক, চূড়ান্ত হয়ে গেল
কেন টিম মিটিং হয়নি
লাগাতার ৬ হারের পর পঞ্জাব কিংস সমস্যায় পড়েছিল, তাদের প্লে অফের দৌড়ে টিকে থাকার জন্য নিজেদের শেষ ম্যাচ জিততেই হতো। কিন্তু এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে দল কোনও মিটিং করেনি, স্বয়ং শ্রেয়স আইয়ার যা জানিয়েছেন।
আরও পড়ুন: আঙুল ভেঙেছে, ইঞ্জেকশন নিয়ে দলকে জেতাতে ঝাঁপাচ্ছেন! ব্রহ্মাস্ত্রকে দেখে মুগ্ধ কেকেআর কোচ
আইয়ার বলেছেন, “আমরা বিষয়গুলো একেবারে সহজ রেখেছিলাম। আমরা ম্যাচের আগে কোনও মিটিং করিনি এবং খেলোয়াড়দের উপর কোনও চাপও দিইনি। গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে মনের মুক্ত থাকাটা খুব জরুরি। খেলোয়াড়রা বেশি চিন্তা করুক, আমরা তা চাইনি, তাই আমি রিকিকে বলেছিলাম যে আমাদের টিম মিটিং করার কোনও প্রয়োজন নেই।”
আরও পড়ুন: দলের সেরা ব্যাটার ছিটকে গিয়েছেন, পরিবর্ত কে? মরণ-বাঁচন ম্যাচের কী বললেন কেকেআরের কোচ?