আমদাবাদ: জাতীয় দলের টেস্ট ও ওয়ান ডে ফর্ম্য়াটে তিনিই ক্যাপ্টেন। কিন্তু টি-টোয়েন্টি ফর্ম্য়াটে জাতীয় দল থেকেই ছিটকে গিয়েছেন। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য যে ভারতীয় দল, সেই দলে জায়গা করতে পারেননি গল। চলতি আইপিএলে গুজরাত টাইটান্সের অধিনায়ক হিসেবে দারুণ পারফর্ম করছেন। এমনকী কোয়ালিফায়ার ২ তে রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে দুরন্ত শতরান হাঁকিয়েছিলেন। অরেঞ্জ ক্যাপের দৌড়ে থাকা প্লেয়ার গিল। সামনেই আয়ারল্যান্ড ও ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি সিরিজ রয়েছে। সেই সিরিজে কিন্তু গিল সুযোগ পেতে পারেন।
গিল নিজে যদিও সেভাবে ভাবছেন না। নিজের ব্যাট দিয়েই সবকিছুর জবাব দিতে চান ডানহাতি তারকা। গিল বলছেন, ‘যদি আমি টি-টোয়েন্টি দলে সুযোগ পাই, আমি খুশি হব খেলতে। সত্যি বলতে, আমি আমার খেলাটা নিয়ে কাজ চালিয়ে যেতে চাই। আমি একজন টি২০ ব্যাটসম্যান হিসেবে, একজন ওডিআই ব্যাটসম্যান হিসেবে, একজন টেস্ট ব্যাটসম্যান হিসেবে আরও উন্নতি করতে চাই। ক্রিকেট এমন একটা খেলা যে, সত্যিই পুরোপুরি পারফেক্ট হওয়া যায় না কোনওমত। আমি নিজে লড়াইটা চালিয়ে যেতে চাই।’
চলতি আইপিএল মরসুমে শুভমন গিল এখনও পর্যন্ত ১৫ ম্যাচে ৭২২ রান করেছেন। ৪৮.১৩ গড়ে স্ট্রাইক রেট ১৬৩.৭১ রেখে রান করেছেন গিল। কোয়ালিফায়ার ২-এর সেঞ্চুরি ছাড়াও তিনি এই মরসুমে ছয়টি অর্ধশতরান করেছেন। অরেঞ্জ ক্যাপের দৌড়ে তিনি কেবল বৈভব সূর্যবংশীর পেছনে রয়েছেন। রাজস্থানের বিস্ময় বালক ৭৭৬ রান করে এই মুহূর্তে তালিকায় শীর্ষে আছেন।
এর আগেও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে স্কোয়াড থেকে বাদ যাওয়া প্রসঙ্গে গিল বিশ্বকাপ শুরুর আগে জানিয়েছিলেন, ‘আমি একটা বিষয় মনে করি যে ভাগ্য যা হওয়ার তাই হবে। এখানে আলাদা কিছু নেই। আমাকে আমার কাজটি করে যেতে হবে। আমি একজন প্লেয়ার হিসেবে ম্য়াচ জিততে চাই। নিজে পারফর্ম করতে চাই। আমি নির্বাচকদের সিদ্ধান্তকে স্বাগত ও সম্মান জানাচ্ছি।’
এদিকে, ওয়ান ডে ফর্ম্য়াটে গিলের নেতৃত্ব নিয়েও অনেকে প্রশ্ন করেছিলেন। সেই তালিকায় ছিলেন মনোজ তিওয়ারিও। প্রাক্তন ভারতীয় ও বাংলার ক্রিকেটার বলেছিলেন, ”আমার মনে হয় এখনও অনেকটাই সময় আছে যা ভুল ছিল তা শুধরে নেওয়ার। কারণ বিশ্বকাপ রয়েছে ২০২৭ সালে। এটা কিন্তু কোনও দ্বিপাক্ষিক সিরিজ নয় বা এমনই কোনও টুর্নামেন্ট নয়। এটা বিশ্বকাপের আসর। রোহিত শর্মাকে ক্যাপ্টেন্সি থেকে সরানোর কোনও প্রয়োজন কি আদৌ ছিল? আমি নিশ্চিত যে রোহিত যদি এখনও ক্যাপ্টেন্সি করত, তাহলে ফল কিন্তু আলাদা হতেই পারত। আমরা ওর নেতৃত্বেই কিন্তু আগের বছর চ্য়াম্পিয়ন্স ট্রফি জিতেছিলাম। আমার মনে হয় ও ক্যাপ্টেন থাকলে দলও সঠিক পথেই এগোত।’