কলকাতা: বিগ বসের বাড়ি থেকে (Big Boss Bangla) বিদায় নিয়েছেন, সায়ক। অভিনেতা হওয়ার পাশাপাশি, সায়ক একজন নেটপ্রভাবীও। তবে বিগ বসের বাড়ির নিয়ম অনুযায়ী, ৩ সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে মোবাইল ফোন থেকে দূরে ছিলেন সায়ক। তবে বিগ বসের বাড়ি থেকে বেরিয়ে, প্রথম হাতে ফোন পেলেন তিনি। আর তারপরে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিও পোস্ট করে জানালেন, নিজের অনুভূতির কথা। ৩ সপ্তাহ কেমন কেটেছে বিগ বসের বাড়িতে তাঁর, প্রতিযোগীরা কে কেমন.. সেই সমস্ত কথা সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করে নিয়েছেন সায়ক।
বিগ বসের ঘর থেকে বেরিয়ে, কী বললেন সায়ক?
সোশ্যাল মিডিয়ায় এদিন একটি ভিডিও পোস্ট করেন সায়ক। তিনি বলেন, বিগ বসের ঘরে গিয়ে তিনি অনেক কিছু শিখেছেন। তবে এই কথা তিনি জানেন যে, তাঁকে নিয়ে অনেকেই হতাশ। অনেকে মনে করেছিলেন, সায়ক বিগ বসের বাড়ি গিয়ে, ঝগড়া থেকে বিভিন্ন বিতর্ক জড়াবে। কিন্তু আদপে দেখা গেল, ৩ সপ্তাহে সায়ক তেমন করে বিতর্ক বা তর্কাতর্কিতে অংশগ্রহণ করেননি। এদিন সায়ক বলেন, অচেনা মানুষদের সঙ্গে মিশে যেতে তাঁর সময় লাগে আর তিনি শুধুমাত্র ক্যামেরার জন্য কোনও কাজ করতে পারেন না। বিগ বসের বাড়িতে তাঁর সঙ্গে কারও সম্পর্ক এতটাও খারাপ ছিল না যে, সেখানে ঝগড়া বা বিতর্ক তৈরি হবে বা রাগারাগি হবে। পাশাপাশি অন্যান্য প্রতিযোগীদের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ভাল ছিল, এই কথাও প্রকাশ্যে এনেছেন সায়ক।
এদিন সায়ক আরও বলেন, প্রতিযোগীরা প্রায় প্রত্যেক মুহূর্তেই তাঁদের বাড়ির কথা বলেন, মনখারাপ প্রত্যেকের হয়। সায়ক জানান, দুর্নিবার প্রায় প্রত্যেক মুহূর্তেই তাঁর স্ত্রী আর সন্তানের কথা বলতেন। এমনকি সায়ক বাড়ি যাওয়ার আগে দুর্নিবার নাকি তাঁকে বলেছিলেন, তাঁর পুত্রসন্তান ধীয়ানের সঙ্গে দেখা করে যেন তাঁর মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে আসেন সায়ক। বাড়িতে মা-বাবা একা থাকেন বলে, তা নিয়েও সবসময়ে ভীষণ চিন্তিত থাকেন ঝিলাম। তনুশ্রীও তাঁর মেয়ের জন্য প্রত্যেক মুহূর্তে চিন্তা করেন, মনখারাপ করেন.. এই সবই প্রকাশ্যে আনেন সায়ক। পাশাপাশি তিনি আরও বলেন, তিনি প্রত্যেক প্রতিযোগীর বাড়িতে গিয়েই তাঁদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করবেন।
সায়ক আরও বলেন, সামনে তাঁর জন্মদিন আসছে। তাঁর মনে হয়েছিল, এই বছরের জন্মদিন তাঁকে পরিবারকে ছাড়াই কাটাতে হবে। জীবনে প্রথম। পাশাপাশি তাঁর মনে হয়েছিল, এই বছর কলকাতার দুর্গাপুজো ও মিস করতে চলেছেন তিনি। তবে এর কিছুই হবে না। নিজের জন্মদিন থেকে শুরু করে, কলকাতার পুজো সবই পরিবারের সঙ্গে কাটাতে পারবেন তিনি। এই কারণে তিনি খুশি। ঈশ্বরকে ধন্যবাদ দিয়েছেন তিনি।
আরও পড়ুন: Srijla Guha: টাস্ক করতে গিয়ে চোট, সৃজলাকে থাকতে হচ্ছে চিকিৎসকদের নজরদারিতে! এখন কেমন আছেন তিনি?