কলকাতা: দিনের পর দিন বিক্ষোভ, তোলপাড় গোটা দেশ। জেন-জ়ির বিক্ষোভ আন্দোলনের কাছে, অবশেষে মাথা নোওয়াল মোদি সরকার। দেশজোড়া প্রবল চাপের কাছে পিছু হঠল প্রশাসন। ‘ককরোচ’-দের প্রধান-দাবি মেনে, শেষমেশ ইস্তফা দিলেন ‘প্রধান’। পদত্যাগ করতেই হল কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীকে। জন্ম নেওয়ার ৭১ দিনের মধ্যেই প্রথম আন্দোলন ‘সফল’ করলেন ‘আরশোলা’রা। গত মে মাসে, মেডিক্যালের সর্বভারতীয় প্রবেশিকা NEET-এর প্রশ্ন-ফাঁসের অভিযোগ সামনে আসে। যার জেরে পরীক্ষা বাতিল করে দেয় ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি। অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েন প্রায় ২২ লক্ষ পরীক্ষার্থী। নতুন করে পরীক্ষা নেওয়া হয়। দেওয়া হয় CBI তদন্তের নির্দেশ।
ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা
NEET প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদ করে, দিল্লিসহ বিভিন্ন শহরের রাস্তায় শুরু হয় বিক্ষোভ। পরীক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার, মৃত ছাত্রদের পরিবারকে আর্থিক সাহায্য দিতে হবে। পরীক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার, মৃত ছাত্রদের পরিবারকে আর্থিক সাহায্য দিতে হবে। জুন মাসের শুরু থেকে আরশোলারা ভিড় করতে থাকে দিল্লির যন্তরমন্তরে। ২০ জুন থেকে বিক্ষিপ্ত আন্দোলন রূপ নেয় ধর্নায়। আন্দোলনকারী আরশোলাদের পাশে দাঁড়ায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষ। শিক্ষাবিদ ও আন্তর্জাতিক খ্য়াতিসম্পন্ন পরিবেশ কর্মী সোনম ওয়াংচুক আন্দোলনের প্রতি প্রকাশ্যে সমর্থন জানান। এরপরে, শনিবার সোশ্যাল মিডিয়ায় ইস্তফাপত্র প্রকাশ করে, পদ ছাড়েন ধর্মেন্দ্র প্রধান।
রাস্তায় নেমে নাচলেন, অনুরাগীদের মধ্যে উপহার বিলোলেন রাখী
আর ধর্মেন্দ্র প্রধান ইস্তফা দেওয়ার পরেই, অনুরাগীদের মধ্যে উপহার বিতরণ করলেন রাখী সবন্ত। ‘ককরোচ জনতা পার্টি’-র আন্দোলন শুরু হওয়া থেকেই সেই আন্দোলনকে সমর্থন করেছেন রাখী সবন্ত। আর ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার খবরের পরেই, রাস্তায় নেমে নাচ করেন রাখী। উপহার বিতরণ করেন সবার মধ্যে। এমনকি সোশ্যাল মিডিয়ায় একাধিক AI ইমেজও ছড়িয়ে পড়েছে যেখানে দেখা যাচ্ছে, ভারতবর্ষের আগামী শিক্ষামন্ত্রীর চেয়ারে বসে রয়েছেন রাখী সবন্ত। মোট কথা, যে রাখীর গলায় সবসময়েই নরেন্দ্র মোদির স্তুতি শোনা যায়, ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার খবরে ছক ভেঙে তাঁকেই দেখা গেল উদযাপন করতে। এদিন ‘ভারত মাতা কি জয়’ স্লোগান ও তোলেন রাখী।
আরও পড়ুন: Tollywood News: কৌশিক সেনের সঙ্গে ঋ-এর নতুন সমীকরণ! আসল রহস্যটা কী?