Last Updated:
TMC: ভাঙনের সিঁদুরে মেঘ ক্রমশ স্পষ্ট হচ্ছে তৃণমূলের আকাশে৷ এর মধ্যেই মঙ্গলবার রানি রাসমণি অ্যাভিনিউয়ে ধর্নার ডাক দেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দুপুরেই ধর্না সমাবেশে পৌঁছান তৃণমূল নেত্রী৷ আর ঠিক তখনই তৃণমূল বিধায়ক সাংসদদের একটি দল হঠাৎ পৌঁছলেন বিধানসভায়। কীসের চিঠি হাতে?
কলকাতা: তৃণমূলের ভাঙন কি সময়ের অপেক্ষা? বাংলার রাজনীতিতে যখন এই প্রশ্ন দানা বাঁধছে, তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন রানি রাসমণি অ্যাভিনিউয়ে ধর্নার ডাক দিয়েছেন তখন সেই সমাবেশ ছেড়ে হঠাৎ বিধানসভায় কেন হাজির হলেন ডেরেক ও ব্রায়েন, কুণাল ঘোষরা?
বস্তুত সূত্রের খবর, পরিষদীয় আইন মেনে এবার অধ্যক্ষকে চিঠি দিতে চলেছে তৃণমূল। তৃণমূলের দাবি সেই আইনে পরিষ্কার বলা আছে, কে বিরোধী দলের নেতা হবেন সেখানে পার্টির চিঠি শেষ কথা, বিধায়কদের স্বাক্ষরের প্রয়োজনই নেই। সূত্রের খবর, তৃণমূল এই চিঠি আগেভাগে স্পিকারকে দিয়ে রাখতে চায় তার কারণ, ভবিষ্যতে যাতে আইনত চ্যালেঞ্জ করা যায়। যদি স্পিকার অন্য কোনও সিদ্ধান্ত নেন, সেক্ষেত্রে কার্যকরী ভূমিকা নিতে পারে এই চিঠি।
এদিন অবশ্য সংবাদমাধ্যমের সামনে চিঠির ব্যাপারে কথা বলতে চাননি কুণাল ঘোষ। তিনি বলেন, আজ বিধানসভায় তৃণমূলের তরফে কুণাল ঘোষ ও অসীমা পাত্র চিঠি দিতে এসেছিলাম। স্পিকার নেই। আমরা গেলাম বিধানসভার সচিবালয়ে। অধ্যক্ষের সচিব জানিয়েছেন, বিরোধীদের কোনও চিঠি রিসিভ করা যাবে না। বিধানসভার প্রিন্সিপাল সেক্রেটারিকে জানানো হল, তিনি চিঠি নিলেন না। ফোনে কথা বললেন না। আমরা ভিডিও করে রেখে টেবিলে দিয়ে এসেছি। চিঠি আমার হাতে আছে। দল অনুমতি দিলে দেখিয়ে দেব।
একইসঙ্গে কুণাল ঘোষ জানান, “গতকাল আমরা একটা চিঠি দিয়েছি। সঙ্গে কভার ও আনুষঙ্গিক জিনিস। আজ আবার চিঠি দিতে এসেছিলাম। সেটা নিল না। এই বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে চিঠি জমা না নেওয়া প্রসঙ্গে মন্ত্রী তাপস রায় জানান, “এই চিঠি সংক্রান্ত রেজোলিউশন নিয়ে মামলা চলছে। সিআইডি তদন্ত হয়েছে। হতে পারে তার জন্যে চিঠি নিতে চাননি।”
Kolkata,West Bengal
