Last Updated:
হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন অ্যাপাচে হেলিকপ্টার ভূপাতিত হওয়ার পর ইরানের বিভিন্ন স্থানে দফায় দফায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এ ঘটনায় তেহরানও কঠোর প্রতিক্রিয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে।
তেহরান: পশ্চিম এশিয়ায় অশান্তি অব্যাহত ৷ বুধবার সকালে ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড জানিয়েছে, তাদের উপর আমেরিকার হামলার জবাবে পঞ্চম নৌবহরে হামলা চালানো হয়েছে এবং এই হামলা চলবে। এই স্ট্রাইকে ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে বলেও উল্লেখ করেছে তারা। ইরান-এর Islamic Revolutionary Guard Corps (IRGC) দায় স্বীকার করেছে এই ড্রোন হামলার জন্য ৷ যা বাহরিনে মার্কিন নেভির পঞ্চম নৌবহরের উপর লক্ষ্য করে করা হয় ৷ তারা জানিয়েছে, এই হামলা করা হয়েছে বুধবারের আগে আমেরিকার ইরানের ভূখণ্ডে হামলা চালানোর প্রতিশোধ হিসেবে।
গত সোমবার হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের একটি অ্যাপাচে হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়। ইরান এটি ধ্বংস করে, এমনটাই দাবি করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এরপর ইরানের উপকূলবর্তী বিভিন্ন জায়গায় হামলা চালায় মার্কিন সেনাবাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড।
এই ঘটনা তেহরান এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে উত্তেজনা অনেক বেড়ে যাওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে ৷ যখন পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতে ইতিমধ্যেই একটি ‘যুদ্ধবিরতি’ চলছে। IRGC বলেছে, মার্কিন বাহিনী দক্ষিণ ইরানের একাধিক জায়গায়, যার মধ্যে জাস্ক, সিরিক আর কেশম আছে, হামলা করেছিল, তার আগে ওরা যেটাকে প্রতিশোধমূলক অপারেশন বলেছে, সেটা বাহরিনে মার্কিন নৌ বাহিনীর বিরুদ্ধে চালানো হয়।
‘‘শত্রুর জঘন্য কাজের জবাবে IRGC নৌবাহিনী এদিন ভোর ২.৩০ নাগাদ বাহরিনে ড্রোন হামলা চালায়,’’ এমনটাই ইরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে ৷
ওই বাহিনী আরও সতর্ক করেছে, ‘‘ইরানের উপর হামলা চলতে থাকলে আরও বড় প্রতিক্রিয়া আসতে পারে।’’
ইরানের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, “মিথ্যা অজুহাতে আমেরিকার যুদ্ধবাজ সরকার জাস্ক, সিরিক এবং কেশমের বিভিন্ন জায়গায় আজ ভোরে হামলা চালিয়েছে। এতে সিরিকের একটি টেলিযোগাযোগ মাস্তুল এবং দুটি জলের ট্যাঙ্ক পুরোপুরি ধ্বংস হয়েছে। এর জবাবে বাহরিনে আমেরিকার পঞ্চম নৌবহরে হামলা চালানো হয়েছে। যদি আমেরিকার আগ্রাসন এভাবেই অব্যাহত থাকে, তাহলে পরবর্তীতে আরও কঠোর হামলা চালানো হবে।”
Kolkata,West Bengal
