Last Updated:
চুক্তিটি মেনে চলা হচ্ছে কিনা তা পর্যবেক্ষণ করতে মার্কিন নৌবাহিনীর জাহাজগুলো এই অঞ্চলে মোতায়েন থাকবে। তবে আমেরিকা এবং ইরানের মধ্যে শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হলেও ‘কাঁটা’ এখনও লেবানন।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) ঘোষণা করেছে যে, মার্কিন বাহিনী আনুষ্ঠানিকভাবে ইরানের ওপর থেকে নৌ অবরোধ তুলে নিয়েছে। এই অঞ্চলে কয়েক মাসের সামরিক উত্তেজনার অবসানের লক্ষ্যে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে একটি প্রাথমিক চুক্তি হওয়ার পর এই পদক্ষেপটি করা হল।
আল আরাবিয়ার মতে, এই চুক্তি অনুযায়ী আমেরিকা সঙ্গে সঙ্গেই ইরানের উপর নৌ অবরোধ তুলে নেবে এবং ইরানি সামুদ্রিক রুটে যেটাকে ‘হস্তক্ষেপ’ বলা হচ্ছে, সেটাও বন্ধ করবে। আরও বলা হয়েছে, চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষরের এক মাসের মধ্যেই মার্কিন বাহিনী ওই অঞ্চল থেকে প্রত্যাহার করা হবে। এর বদলে, ইরান এক মাসের মধ্যেই হরমুজ প্রণালী আবার খুলে দেবে, যার ফলে বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি রুটগুলোর মধ্যে একটিতে পুরোপুরি যাতায়াত আবার শুরু হবে। রিপোর্ট অনুযায়ী, এই ফ্রেমওয়ার্কে ইরানের জন্য একটি পুনর্গঠন পরিকল্পনাও রয়েছে ৷ যেটি আমেরিকা এবং ‘আঞ্চলিক অংশীদার’-দের দ্বারা কমপক্ষে ৩০০ বিলিয়ন ডলার দিয়ে আর্থিক সাহায্য করার প্রতিশ্রুতি রয়েছে।
ইরানের সঙ্গে আমেরিকার চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। খুলে দেওয়া হয়েছে হরমুজ প্রণালী। সেই সঙ্গে জলপথ থেকে মার্কিন অবরোধও তুলে নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিক ভাবে এই চুক্তির কথা ঘোষণা করে পাকিস্তান। পরে আমেরিকা এবং ইরান দু’পক্ষই তা নিশ্চিত করেছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় চুক্তির কথা ঘোষণা করেছেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যদিও আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে কোনও চুক্তি এখনও খাতায়কলমে স্বাক্ষরিত হয়নি। আগামী শুক্রবার ১৯ জুন সেই চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে। তার পর আনুষ্ঠানিক ভাবে হরমুজ প্রণালী খুলবে। পুনরায় সেখান দিয়ে তেল পরিবাহিত হবে। আমেরিকা-ইরানের আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হতে চলেছে সুইৎজারল্যান্ডের জেনিভায়। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সোমবার জানিয়েছেন, ওয়াশিংটন ইরানকে ৩০০ মিলিয়ন ডলার দেবে—এমন খবর সম্পূর্ণভাবে তিনি উড়িয়ে দিয়েছেন। ট্রাম্প জোর দিয়ে বলেছেন, তেহরান কখনও পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি বা অর্জন করবে না—এমন চুক্তিই হয়েছে।
Kolkata [Calcutta],Kolkata,West Bengal
