Last Updated:
Strait of Hormuz: ট্রাম্প জানান, “আমরা লক্ষ লক্ষ ব্যারেল তেল তুলে নিচ্ছি, কিন্তু কেউ তা জানে না। গভীর রাতে কোনও আলো ছাড়াই ২২টি জাহাজ তুলে নিয়েছি। এই পদ্ধতিগুলিই তেলের দাম তুলনামূলকভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করেছে।”
তেহরান: ফেব্রুয়ারিতে মার্কিন-ইরান সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে হরমুজ প্রণালী বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য প্রায় বন্ধ ছিল। প্রতিদিন প্রায় ১৫টি তেলবাহী ট্যাঙ্কার মার্কিন বিমানবাহিনীর ছত্রছায়ায় এই জলপথের সংকীর্ণ ওমানি উপকূলীয় করিডোর দিয়ে যাতায়াত করছে। ইরানি বাহিনীর হাতে শনাক্ত হওয়া এড়াতে তাদের জিপিএস ট্রান্সপন্ডারগুলো বন্ধ রাখছে। ট্রানজিট সম্পর্কে জানেন এমন চারজন ফিনান্সিয়াল টাইমসকে জানান, এই প্রক্রিয়াটি নীরবে লক্ষ লক্ষ ব্যারেল তেল বাজারে এনেছে এবং অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়ান বিরত রাখতে সাহায্য করেছে।
সমুদ্র পাড়ি দেওয়া জাহাজগুলোর নাবিকদের রেডিও ব্যবহার বন্ধ রাখতে ও আলো নিভিয়ে রাখতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কিছু কিছু যাতায়াত মাঝরাতে হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় এই অভিযানের ব্যাপকতার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এই প্রণালীটি দিয়ে সাধারণত প্রতিদিন প্রায় ২ কোটি ব্যারেল তেল পরিবহণ করা হয়, যা বৈশ্বিক সমুদ্রপথে তেল বাণিজ্যের প্রায় ২০ শতাংশ। এর মধ্য দিয়ে বাণিজ্যিক চলাচল সংকট-পূর্ববর্তী পরিমাণের প্রায় ২ শতাংশে নেমে এসেছে।
এদিকে ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড জানিয়েছে, তাদের উপর আমেরিকার হামলার জবাবে পঞ্চম নৌবহরে হামলা চালানো হয়েছে এবং এই হামলা চলবে। এই স্ট্রাইকে ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে বলেও উল্লেখ করেছে তারা। ইরান-এর Islamic Revolutionary Guard Corps (IRGC) দায় স্বীকার করেছে এই ড্রোন হামলার জন্য ৷ যা বাহরিনে মার্কিন নেভির পঞ্চম নৌবহরের উপর লক্ষ্য করে করা হয় ৷ তারা জানিয়েছে, এই হামলা করা হয়েছে বুধবারের আগে আমেরিকার ইরানের ভূখণ্ডে হামলা চালানোর প্রতিশোধ হিসেবে।
গত সোমবার হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের একটি অ্যাপাচে হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়। ইরান এটি ধ্বংস করে, এমনটাই দাবি করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এরপর ইরানের উপকূলবর্তী বিভিন্ন জায়গায় হামলা চালায় মার্কিন সেনাবাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড।
Kolkata [Calcutta],Kolkata,West Bengal
