Last Updated:
Suvendu Adhikari: ভবানীপুরে গিয়ে উৎকল শ্রমিক সংঘের রথ উৎসবে অংশ নিলেন মুখ্যমন্ত্রী। এদিন রথযাত্রার অনুষ্ঠান থেকে একের পর এক বড় বার্তা দিলেন শুভেন্দু অধিকারী।
কলকাতা: শুক্রবার উল্টোরথের সন্ধ্যায় ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত উৎকল শ্রমিক সংঘের ১২ বছরের পুরনো রথযাত্রার অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে রথের পুজোয় অংশ নিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। উপস্থিত ছিলেন বিজেপির দক্ষিণ কলকাতার জেলা সভাপতি অনুপম ভট্টাচার্য, ৮২ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর দেবলীনা বিশ্বাস। এখানে । জমায়েত করেছেন এলাকার বাসিন্দারা।
এদিন শুভেন্দু বলেন, “আজ প্রভু ফিরে যাচ্ছেন। ৫৭ বছর ধরে আছে এই মন্দির, এই মন্দির এখানকার মানুষের আস্থার জায়গা। আজ এসে প্রণাম করলাম, দর্শন করলাম, আরতি করলাম। সকল সনাতনী রাষ্ট্রবাদীদের অভিনন্দন জানাই। বিশেষ করে উৎকল সমাজকে অভিনন্দন কারণ তাঁরা এই ঐতিহ্যকে বয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। উৎকল সমাজ একশোতে একশো দিয়েছে আমাকে। আমি ভবানীপুরের বিধায়ক হতে পেরেছি। এরা সকলে আমাকে বলেছিলেন উন্নয়ন আর সংস্কৃতি রক্ষা করতে হলে আপনাকে জেতাতে হবে। চার হাজারের বেশি উৎকল সমাজের মানুষ আছেন এখানে।
পুরীর জগন্নাথ ধামের প্রসঙ্গ তুলে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমি জেতার পর ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী সম্বিৎ পাত্রের হাত দিয়ে একটি চিঠি পাঠিয়েছিলেন। দিঘাতে ধাম লিখে দেওয়া হয়েছিল, উনি কষ্ট পেয়েছিলেন বলে জানিয়েছিলেন। আমি দিঘা থেকে ধাম সরিয়ে দিয়েছি। ধাম একটাই পুরী। বিভিন্ন এলাকায় বাবা মহাদেব, মা কালীর যেমন মন্দির হচ্ছে তেমন জগন্নাথ দেবের মন্দির হোক তবে ধাম একটাই।”
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে তাঁর রাজনৈতিক গুরু আখ্যা দিয়ে রাজ্যের সার্বিক উন্নয়নের বার্তা দিলেন শুভেন্দু। তিনি এদিন বলেন, “প্রধানমন্ত্রী বলেছেন বিকাশ হবে, উন্নয়ন হবে, ভারতীয় সংস্কৃতি রক্ষা হবে। শুরুর দিন রথে ছিলাম ইসকন মন্দিরে। আজ দুপুরে ছিলাম নর্দার্ন পার্কে। এই ভূমি শুধু সংস্কৃতির ভূমি নয়, আধ্যাত্মিকতাবাদের মাটি। অনেক অত্যাচার সহ্য করেছি। আর নয়।”
মঞ্চে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “অনেক অত্যাচার সহ্য করেছি। আগে মোঘল ,হানাদাররা। সতর্ক থাকুন। অনেক মন্দির ভেঙেছে ,সনাতনী দের মধ্যে বিভাজন। বাংলাদেশ থেকে ধর্ম রক্ষার জন্য অনেক কে দেশ ছাড়তে হয়েছে। আমাদের ভজন,কীর্তন,এটাকে জাগ্রত রাখার কাজ করবেন। আমি এই ঐতিহ্য এর আস্থার জায়গা কে নবরূপে সাজাব। বাবা মহাদেব এর কাশি ধাম নতুন করে সজ্জিত।এই মন্দির ও সাজাব।’
Kolkata,West Bengal
