Last Updated:
US-Iran War: গত মাসেই সংঘর্ষবিরতি চুক্তি হয় আমেরিকা এবং ইরানের মধ্যে৷ তারপরেই ফের ইরানের উপর হামলা আমেরিকার৷ দুই দেশই সংঘর্ষবিরতি লঙ্ঘনের জন্য আঙুল তুলছে একে অপরের দিকে৷
ওয়াশিংটন: হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাওয়ার সময় তিনটি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার ঘটনার পর মঙ্গলবার ইরানের বিরুদ্ধে “শক্তিশালী” সামরিক হামলা চালানোর দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এবারের হামলা আগের চেয়ে ‘চার বা পাঁচ গুণ বেশি শক্তিশালী হতে চলেছে’, দাবি আমেরিকার৷ পাশাপাশি, আরও হামলার হুঁশিয়ারিও দিয়েছে আমেরিকা৷
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (CENTCOM) সোশ্যাল মিডিয়া X- হ্যান্ডেলে করা এক পোস্টে জানায়, ‘বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার জন্য ইরানকে উচিত শিক্ষা দিতেই এই অভিযান চালানো হয়েছে’৷ ওই আধিকারিকের দাবি, এপ্রিলের যুদ্ধবিরতির পর ইরানের বিরুদ্ধে এটিই যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় ও তীব্র হামলা।
বিবৃতিতে বলা হয়, “হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করার সময় তিনটি বাণিজ্যিক জাহাজের উপর ইরানের হামলার জবাব হিসেবেই যুক্তরাষ্ট্র এই সামরিক অভিযান চালিয়েছে। আন্তর্জাতিক নৌপরিবহণে হামলার জন্য ইরানকে কঠোর মূল্য দিতে হবে।” আরও বলা হয়, “ইরানের এই আগ্রাসন ছিল সম্পূর্ণ অযৌক্তিক, অত্যন্ত বিপজ্জনক এবং যুদ্ধবিরতির স্পষ্ট লঙ্ঘন।”
মার্কিন সংবাদমাধ্যম Axios-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, হামলায় ইরানের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, উপকূলীয় নজরদারি ব্যবস্থা, সারফেস-টু-এয়ার মিসাইল ঘাঁটি, জাহাজবিধ্বংসী ক্রুজ মিসাইলের অবস্থান, ড্রোন উৎক্ষেপণ কেন্দ্র এবং বন্দর অবকাঠামো লক্ষ্য করে আঘাত হানা হয়েছে।
এদিকে, ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, হামলার পর বন্দর আব্বাস, সিরিক এবং কেশম দ্বীপে একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। এছাড়া সিরিক জেটি ও বন্দর আব্বাসের শহীদ হাক্কানি বন্দরে আগুন লাগার ঘটনাও সামনে এসেছে।
ভেঙে পড়ার মুখে অন্তর্বর্তী চুক্তি
এই নতুন হামলার জেরে গত মাসে আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে হওয়া অন্তর্বর্তী চুক্তি বড় ধরনের সংকটে পড়েছে। উভয় দেশই অভিযোগ করছে, অপর পক্ষ ওই চুক্তির শর্ত ভঙ্গ করেছে। তিনটি তেলবাহী জাহাজে হামলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্র ইরানি তেল বিক্রির অনুমতি দেওয়া বিশেষ ছাড় (লাইসেন্স) বাতিল করে। এই ছাড়টি দুই দেশের মধ্যে সংঘর্ষ বন্ধে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের (MoU) অংশ ছিল।
Kolkata,West Bengal
