Last Updated:
খুচরো সমস্যা নিয়ে যাত্রীদের সঙ্গে বাস কন্ডাক্টরদের বচসা নতুন কিছু নয়৷ অনেক সময় কন্ডাক্টটরদের বিরুদ্ধে দুর্ব্যবহারের অভিযোগও তোলেন যাত্রীরা৷
গণপরিবহণ ব্যবস্থায় যাতায়াত করতে গিয়ে সাধারণ যাত্রীদের কোন ভোগান্তির মুখে পড়তে হয়, তার কিছুটা স্বাদ পেলেন কর্ণাটকের পরিবহণমন্ত্রী বৈরাথী সুরেশ৷ খুচরো টাকায় ভাড়া দিতে না পারায় পরিবহণ মন্ত্রীকেই বাস থেকে নেমে যেতে বললেন এক সরকারি বাসের কন্ডাক্টর৷ যদিও পরিবহণমন্ত্রীকে চিনতে পারেননি তিনি৷
জানা গিয়েছে, মুখে মাস্ক পরে আর পাঁচজন সাধারণ যাত্রীর মতোই হেব্বাল থেকে নাগাশেট্টায়াল্লিগামী ব্যাঙ্গালোর মেট্রোপলিটন ট্রান্সপোর্ট কর্পোরেশন (বিএমটিসি)-র একটি বাসে ওঠেন কর্ণাটকের পরিবহণমন্ত্রী৷ বাসে উঠে কন্ডাক্টরের কাছে দুটি টিকিট চান তিনি৷ ভাড়া হিসেবে একটি একশো টাকার নোট কন্ডাক্টরকে দেন মন্ত্রী৷
মন্ত্রীর হাতে একশো টাকার নোট দেখেই কন্ডাক্টর তাঁর ব্যাগ দেখিয়ে বলেন, তাঁর কাছে ফেরত দেওয়ার মতো খুচরো টাকা নেই৷ খুচরো টাকায় সঠিক ভাড়া দিতে না পারলে মন্ত্রীকে বাস থেকে নেমেও যেতে বলেন ওই কন্ডাক্টর৷
কথা না বাড়িয়ে কন্ডাক্টরের কথা মতো চুপচাপ বাস থেকে নেমে যান মন্ত্রী৷ প্রায় দু ঘণ্টা ধরে বিএমটিসি-র দশটি বাসে সাধারণ যাত্রী সেজে উঠে যাত্রী পরিষেবার হাল বোঝার চেষ্টা করেন মন্ত্রী৷ ব্যাঙ্গালোর শহরের জয়মহল, সিবিআই রোড, হেব্বাল, হেন্নুরের মতো একাধিক এলাকায় বাসে চড়ে ঘোরেন তিনি৷
এই সময়ই মন্ত্রী দেখেন, যাত্রী হাত দেখানো সত্ত্বেও নির্দিষ্ট স্টপেজে থামেনি একটি সরকারি বাস৷ অন্য একটি বাস থেকে এই ঘটনা দেখেন মন্ত্রী৷ সঙ্গে সঙ্গে ওই সরকারি বাসের চালক এবং কন্ডাক্টরকে সাসপেন্ড করার নির্দেশ দেন মন্ত্রী৷
পরে এক্স হ্যান্ডেলে নিজের অভিজ্ঞতার ভিডিও পোস্ট করে মন্ত্রী জানান, ‘বেঙ্গালুরু শহরে বিএমটিসি বাসে যাত্রীদের সফরের অভিজ্ঞতা কেমন হচ্ছে, তা বুঝতে আচমকাই অভিযান চালিয়েছিলাম৷ নিরাপদ, নির্ভরযোগ্য এবং দায়বদ্ধ গণপরিবহণ ব্যবস্থা গড়ে তোলাই আমাদের অগ্রাধিকার৷’
Kolkata,West Bengal
