Last Updated:
HC On Mahua Moitra: হোগলবেড়িয়া থানায় দায়ের হওয়া মামলায় তদন্তে সহযোগিতার শর্তে অন্তর্বর্তী রক্ষাকবচ পেলেন তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র। কলকাতা হাইকোর্ট ১৪ অগাস্ট তদন্তকারী আধিকারিকের সামনে হাজিরার নির্দেশ দিয়েছে এবং ৫ অক্টোবর পর্যন্ত গ্রেফতার-সহ কোনও কঠোর পদক্ষেপে স্থগিতাদেশ দিয়েছে।
কলকাতা: হোগলবেড়িয়া থানায় দায়ের হওয়া এফআইআর মামলায় তদন্তে সহযোগিতার শর্তে অন্তর্বর্তী রক্ষাকবচ পেলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ মহুয়া মৈত্র। কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য নির্দেশ দিয়েছেন, তদন্তে সহযোগিতা করলে আপাতত তাঁর বিরুদ্ধে কোনও কঠোর পদক্ষেপ, যেমন গ্রেফতার, করতে পারবে না পুলিশ।
আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, আগামী ১৪ অগাস্ট বিকেল ৩টায় তদন্তকারী আধিকারিকের সামনে সশরীরে হাজিরা দিতে হবে মহুয়া মৈত্রকে। এছাড়া ৫ অক্টোবর অথবা আদালতের পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই অন্তর্বর্তী রক্ষাকবচ বহাল থাকবে।
মামলাটি দায়ের হয় গত ২৮ জুন, নদিয়ার হোগলবেড়িয়া থানায়। অভিযোগ, পলাশিতে ২১ জুলাইয়ের প্রস্তুতি সভায় দেওয়া এক বক্তব্যকে কেন্দ্র করে উস্কানিমূলক মন্তব্যের অভিযোগ ওঠে সাংসদের বিরুদ্ধে।
আদালত আরও নির্দেশ দিয়েছে, মহুয়া মৈত্র তদন্তে হাজিরা দিতে গেলে তাঁর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে পুলিশকে। থানায় বা তদন্তস্থলে কোনও ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি, বিক্ষোভ, ডিম নিক্ষেপ বা হেনস্থার ঘটনা যাতে না ঘটে, সেই দায়িত্ব থাকবে পুলিশের।
শুনানিতে রাজ্যের অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল বিল্বদল ভট্টাচার্য আদালতে জানান, মহুয়া মৈত্রকে একাধিকবার নোটিশ পাঠানো হলেও তিনি তদন্তে সহযোগিতা করেননি। তবে আদালত স্পষ্ট করে দেয়, নতুন করে আর কোনও নোটিশ দেওয়ার প্রয়োজন নেই। নির্ধারিত দিনে তাঁকে তদন্তে হাজির হতে হবে।
মামলায় ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (BNS)-এর ১৯৬, ২৯৯ এবং ৩৫৩ ধারায় মহুয়া মৈত্রের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছে। এই ধারাগুলির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সাজা সাত বছরের কম। প্রসঙ্গত, পলাশিতে ২১ জুলাইয়ের প্রস্তুতি সভার সময় মহুয়া মৈত্র বক্তব্য রাখার সময় সভাস্থলের বাইরে বিজেপি কর্মী ও স্থানীয়দের একাংশ বিক্ষোভ দেখান। অভিযোগ, সেসময় ডিমও ছোড়া হয়। ঘটনার ফেসবুক লাইভ করেন মহুয়া মৈত্র। সেই লাইভে করা কিছু মন্তব্যকে কেন্দ্র করেই পরবর্তীতে বিতর্ক তৈরি হয় এবং হোগলবেড়িয়া থানায় মামলা দায়ের হয়।
Kolkata [Calcutta],Kolkata,West Bengal
