Last Updated:
Kolkata students’ protest: কলকাতার ছাত্র আন্দোলন ঘিরে তৈরি হওয়া বিশৃঙ্খলা নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানালেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। আন্দোলনে সাংবাদিকদের হেনস্থা, মহিলা সাংবাদিকদের নিগ্রহ ও অশান্তির ঘটনায় সরব হন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যও। ছাত্র আন্দোলনের আড়ালে দুষ্কৃতীদের সক্রিয় থাকার অভিযোগ তুলে কড়া বার্তা দেন দুই বিজেপি নেতা।
কলকাতা: কলকাতার ছাত্র আন্দোলনে তৈরি হওয়া বিশৃঙ্খলা নিয়ে সরব কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার৷ আন্দোলনে হওয়া সাংবাদিকদের হেনস্থা-সহ অন্যান্য অশান্তির ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানালেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য৷
‘‘কালকে যাদের নেতৃত্বে এই আন্দোলন হয়েছিল তারা কিন্তু শেষ পর্যন্ত আন্দোলনের নেতৃত্বে ছিল না। ডোরিনা ক্রসিং এর কাছে মিছিল আসতেই একসঙ্গে একটা ভিড় এসে সাংবাদিকদের ওপর বোতল ছোড়া হয়, মহিলা সাংবাদিকদের উপর নিগ্রহ করা হয় অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি পাড়াই ধরণের কর্মকাণ্ড ঘটেছে। কেউ ছাত্র নয়, কেউ নিট দেয়নি। যারা গতকালের মিছিলের এসেছিল তাদের কারও নিজ দেওয়ার যোগ্যতা নেই এমনটাই মন্তব্য করেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করে দিয়েছেন কেউ ছাড় পাবে না গুন্ডামি করার চেষ্টা করেছে তারা বুঝতে পারবে গুন্ডামি কাকে বলে এবার জানতে পারবে’’, বলেন সুকান্ত মজুমদার৷
‘‘আমাদের সরকার সবসময় আলোচনা জন্য প্রস্তুত। আমরা লোকসভার ভিতরে আলোচনার জন্য প্রস্তুত তাদের বক্তব্য শোনা হবে আমাদের বক্তব্য রাখব। ২০২২ সালে রাজস্থানে কংগ্রেসের সরকারের আমলে ৪টি পরীক্ষার রয়েছে তার তালিকা আছে । প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে যখন আন্দোলন চলছে পাঞ্জাব এ প্রশ্ন ফাঁস হয়েছে সেটা নিয়ে আন্দোলন চলছে না।। প্রশ্ন ফাঁস একটা বড় সমস্যা। প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর বক্তব্য আছে বড় সমস্যা আছে আমিও বলছি বড় সমস্যা আছে। আগামী দিনে প্রয়োজন হলে আইন আনা হবে। সবাই মিলে চিন্তা-ভাবনা করে আগামী দিনে আইন আনতে হব। গণতন্ত্রে যা হবে আলোচনার মাধ্যমে হবে’’, বার্তা সুকান্ত মজুমদারের৷
অন্যদিকে, এই আন্দোলনে সাংবাদিকদের উপর হেনস্থা নিয়ে সরব বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য৷ তিনি বলেন, ‘‘গতকাল কলকাতায় বাম সংগঠনগুলোর ডাকা ছাত্রদের প্রতিবাদ মিছিলে সাংবাদিক হেনস্থার তীব্র নিন্দা জানাই। ছাত্রদের ঢাল বানিয়ে দুষ্কৃতীদের মাধ্যমে অশান্তি সৃষ্টি করার বাম সংগঠনগুলোর এই কার্যকলাপ আমরা আগেও দেখেছি। প্রকৃতপক্ষে ছাত্র আন্দোলনের নামে ঘোলা জলে মাছ ধরার চেষ্টা করছে কংগ্রেস ও বামপন্থী দলগুলো। সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা গণতন্ত্রের অপরিহার্য অঙ্গ। একটি দায়িত্বশীল সংবাদমাধ্যমের কাজ সরকারের সাফল্য তুলে ধরার পাশাপাশি প্রশাসনের ভুল, দুর্নীতি, অনিয়ম কিংবা জনস্বার্থবিরোধী সিদ্ধান্তকে নির্ভীকভাবে মানুষের সামনে আনা।’’
শমীক বলেন, ‘‘একইভাবে, বিরোধী রাজনৈতিক দল বা তার নেতাদের কোনও ত্রুটি বা অনিয়ম থাকলে তাও সমান গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা। আজকের সময়ে ভুয়ো তথ্য, বিভ্রান্তি এবং রাজনৈতিক মেরুকরণের আবহে সাংবাদিকতার দায়িত্ব আরও বেড়েছে। সত্যের পক্ষে নির্ভীক সাংবাদিকতা এবং জবাবদিহিমূলক রাজনীতিই একটি শক্তিশালী গণতন্ত্রের ভিত্তি। সংবাদমাধ্যমকে গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভ বলা হয়। প্রতিবাদের নামে যদি এইভাবে সাংবাদিকদের হেনস্থা করা হয় তাহলে গনতন্ত্রকেই আঘাত করা হয়।আন্দোলনের নামে ভারতবর্ষের সুস্থ গণতান্ত্রিক পরিবেশ নষ্ট করাই কংগ্রেস ও বাম সংগঠনগুলোর প্রকৃত উদ্দেশ্য৷’’
Kolkata,West Bengal
