সিডনি: পরের আইপিএলে (IPL) মিচেল স্টার্ককে পাবে না দিল্লি ক্যাপিটালস? সানরাইজার্স হায়দরাবাদের হয়ে খেলবেন না প্যাট কামিন্স? কলকাতা নাইট রাইডার্সের জার্সিতে দেখা যাবে না ক্যামেরন গ্রিনকে?
অস্ট্রেলিয়ার হেড কোচ অ্যান্ড্রু ম্যাকডোনাল্ড ইঙ্গিত দিয়েছেন, পরের আইপিএলে অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটারদের ছাড়া নিয়ে কড়া সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। বিশেষ করে ফাস্টবোলারদের যত্নে রাখা নিয়ে বিশেষ পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন অজ়ি কোচ।
পরের ১২ মাসে ২০টি টেস্ট ম্যাচ ও ১৪টি সীমিত ওভারের ম্যাচ খেলবে অস্ট্রেলিয়া। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে সিরিজ দিয়ে শুরু হচ্ছে টানা ক্রিকেট। জ়িম্বাবোয়ে ও দক্ষিণ আফ্রিকায় ৬টি ওয়ান ডে, দক্ষিণ আফ্রিকায় তিনটি টেস্ট, ঘরের মাঠে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে আটটি সীমিত ওভারের ম্যাচ, নিউজ়িল্যান্ডের বিরুদ্ধে ৪টি টেস্ট, ভারতের মাটিতে ৫টি টেস্ট, তারপর মার্চ মাসে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে দেড়শোতম বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে ঘরের মাঠে একটি টেস্ট ও জুন-জুলাই মাসে পাঁচ টেস্টের অ্যাশেজ। সঙ্গে থাকছে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল। ফাইনালের টিকিট প্রায় পাকা করে ফেলেছে অস্ট্রেলিয়া। সব মিলিয়ে ঠাসা সূচি। সঙ্গে অক্টোবর-নভেম্বর মাসে বিশ্বকাপের আগে আরও কয়েকটি সিরিজের পরিকল্পনাও রয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট দলের পাঁচ নিয়মিত ক্রিকেটার – কামিন্স, স্টার্ক, জশ হ্যাজেলউড, গ্রিন ও ট্র্যাভিস হেড আইপিএলে খেলেন। তবে পরের আইপিএলের আগে তাঁদের নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিতে পারে অস্ট্রেলিয়া।
ক্রিকইনফোকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ম্যাকডোনাল্ড বলেছেন, ‘আমি জানি লোকে আইপিএল নিয়ে কথা বলতে শুরু করবে। সেই সময়টা কীভাবে বার করা হবে তা নিয়ে আলোচনা শুরু হবে। আইপিএলও আমাদের পরিকল্পনায় থাকে এবং আমরা চাই আমাদের সেরা প্লেয়াররা আইপিএলে খেলুক কারণ টি-২০ ক্রিকেটে সেটাই সেরা টুর্নামেন্ট। প্লেয়ারদের পারফরম্যান্স আরও ভাল হয় এতে। তবে ভারসাম্য রাখতে হবে।’
গত আইপিএলেও অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটারদের নিয়ে সমস্যায় পড়েছিল বিভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজি। চোট সারিয়ে উঠে দেরিতে যোগ দিয়েছিলেন স্টার্ক, কামিন্সরা।
ম্যাকডোনাল্ড বলেছেন, ‘আমি জানি লোকে দেশ বনাম ফ্র্যাঞ্চাইজির সেই আলোচনায় ঢুকে পড়বে। তবে আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ হল পেসারদের শরীর যাতে তরতাজা থাকে, সেটা নিশ্চিত করা। ২০-২১টি ম্যাচে সকলকে সুযোগ দেওয়া। মেডিক্যাল টিম ও কোচেদের সঙ্গে কথা বলে প্লেয়াররা সিদ্ধান্ত নেবে। ওরা অস্ট্রেলিয়ার হয়ে খেলতে চায়। আইপিএলের পরই অ্যাশেজ় রয়েছে। আশা করা যায় বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে খেলব ও তারপরই বিশ্বকাপ। অস্ট্রেলিয়ার কাছে অনেকগুলি প্রাধান্য পাওয়ার মতো সিরিজ রয়েছে। আমাদের কিছু সিদ্ধান্ত নিতে হবে।’
২০২৩ সালের আইপিএলে বিভিন্ন কারণে খেলেননি কামিন্স, স্টার্ক ও হেড। পরের আইপিএলেও কি দেখা যেতে পারে সেই ছবি?
আরও পড়ুন: অভিনেত্রীর সঙ্গে গোপনে বিয়ে সারলেন KKR তারকা, শুভেচ্ছাবার্তা শুভমন, অভিষেকদের