Last Updated:
কল্যাণ জানিয়েছেন, অন্তত ৪০ থেকে ৫০টি আসনের ফলকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতে ইলেকশন পিটিশন দায়ের করবে তৃণমূল৷
রাজ্যে ৩১টি এমন বিধানসভা আসন রয়েছে, যেখানে এসআইআর-এ বিচারাধীন ভোটারদের নাম বাদ যাওয়ার কারণে ভোটের ফলাফল বদলে গিয়েছে৷ সোমবার সুপ্রিম কোর্টে এসআইআর মামলায় এমনই অভিযোগ করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়৷
যদিও তৃণমূলের এই অভিযোগ নিয়ে আলোচনায় রাজি হয়নি প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ৷ বিচারপতি জয়মাল্য বাগচি কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সওয়ালের পরিপ্রেক্ষিতে জানান, এসআইআর-এর কারণে ভোটের ফলাফল বদলে যাওয়ার অভিযোগ থাকলে আলাদা মামলা করতে হবে৷
এ দিন সুপ্রিম কোর্টে শুনানি শুরু হতেই আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য দ্রুত ট্রাইবুনালে বিচারাধীন থাকা ভোটারদের আবেদনের দ্রুত নিষ্পত্তির আর্জি জানান৷ এই সূত্রেই তৃণমূলের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বিচারপতিদের উদ্দেশে বলেন, আমরা একটা তালিকা তুলে ধরতে চাই আপনাদের কাছে। ৩১টি এরকম আসন রয়েছে যেখানে অ্যাডজুডিকেশনের ফলে ডিলিটেড ভোটার হওয়ার কারণে ফল বদলে গিয়েছে।
কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের আর্জি শুনে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচি জানান, ফলাফল বদলে গিয়েছে, এরকম অফিযোগ থাকলে তার জন্য আলাদা আইএ ফাইল করতে হবে৷
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামীও আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, এখন শোনা যাচ্ছে যে বিচারাধীন তালিকার নিষ্পত্তি করতে চার বছর সময় লাগতে পারে৷ কল্যাণও মনে করিয়ে দেন, আগামী বছরগুলিতে রাজ্যে পর পর বেশ কয়েকটি নির্বাচন রয়েছে৷ মেনকা এবং কল্যাণের এই উদ্বেগের কথা শুনে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত জানান, এই সমস্যার সমাধানের জন্য একটি কার্য পদ্ধতি বের করতে হবে৷
নির্বাচন কমিশনের আইনজীবী ডি এস নাইডু কল্যাণের সওয়ালে আপত্তি জানিয়ে বলেন, ‘নির্বাচন নিয়ে আপত্তি থাকলে তার জন্য আলাদা আবেদন করতে হবে৷ এসআইআর নিয়ে কিছু বলার হলে এখানে বলতে পারেন।’
বিচারপতি জয়মাল্য বাগচি কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশে বলেন, ‘আমরা বলছি আপনাদের এ নিয়ে কোনও বক্তব্য থাকলে পৃথক আবেদন করুন। সেটার গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে কোনও প্রশ্ন থাকলে পাল্টা সওয়াল করবেন ডি এস নাইডু। আমাদের কাছে এখন তার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল- কীভাবে এই অ্যাডজুডিকেশনের তালিকার নিষ্পত্তি করা যায়। আমরা কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির থেকে এ নিয়ে রিপোর্ট নেব।’
তৃণমূলের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় পরে সংবাদমাধ্যমকে জানান, ‘আমাদের দলের প্রার্থীরা যত ভোটে হেরেছেন, ঠিক কাছাকাছি সংখ্যায় সেই এলাকায় ভোটারদের নাম বাদ গিয়েছে বা মুছে গিয়েছে৷ রাজারহাট নিউটাউন বড় প্রমাণ। চার্ট আছে। ৯০ শতাংশ বুথে মোট যা নাম বাদ গিয়েছে তার থেকে কম ভোটে আমরা হেরেছি। আদালত আজ আবেদন করতে বলল, তারপর শুনানি হবে৷ ‘
Kolkata,West Bengal
