Last Updated:
Kolkata High Court: আর জি কর হাসপাতালে কর্তব্যরত অবস্থায় এক মহিলা চিকিৎসকে নির্যাতন করে খুনের অভিযোগ ওঠে৷ উত্তাল হয় সাড়া পশ্চিমবঙ্গ৷ সেই সময় ঠিকমতো তদন্ত হয়নি বলে অভিযোগ তুলেছিলেন নির্যাতিতার মা-বা৷ অভিযোগ তুলেছিল বিজেপি-ও৷
কলকাতা: মঙ্গলবার দুপুর ১টায় কলকাতা হাইকোর্টে আর জি কর মামলার শুনানি। অভয়া পরিবারের তরফে পুনরায় সিবিআই তদন্ত চেয়ে আবেদন করা হয়েছে। ফাঁসি চাইছে সিবিআই, সাড়া দেবে হাইকোর্ট? বিচারপতি শম্পা সরকার ও তীর্থঙ্কর ঘোষের বিশেষ বেঞ্চে হবে শুনানি।
গত শনিবারই এই মামলার শুনানির জন্য বেঞ্চ নির্দিষ্ট করেন প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল। তৈরি হয় বিচারপতি শম্পা সরকার ও বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ বেঞ্চ৷
আর জি কর হাসপাতালে কর্তব্যরত মহিলা চিকিৎসকের নির্যাতন এবং খুনের ঘটনাকে বিরলের থেকে বিরলতম হিসাবে উল্লেখ করে উচ্চ আদালতে ফাঁসি আবেদন করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। পাশাপাশি, অভয়ার পরিবারের তরফে আর জি করের ঘটনাস্থলে পরিদর্শন সহ একাধিক আবেদনের শুনানি হবে এই নতুন ডিভিশন বেঞ্চে।
বিজেপি জানিয়েছিল, বঙ্গ সরকার গড়লে তাদের সরকার ফের খুলবে আর জি করে ডিউটিরত মহিলা ডাক্তারকে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার মামলা৷ সেই মতো গত ১৫ মে আর জি কর-এর খাতা খুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার রাতে সোশ্যাল মিডিয়ায় মুখ্যমন্ত্রী লিখেছেন এক জরুরি পদক্ষেপের কথা।
সোমবার রাতে শুভেন্দু অধিকারী সোশ্যাল মিডিয়ায় জানালেন, ‘আজ আমি মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে একটি মহতী ও সদর্থক পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পেরে নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করছি। গত ৯ অগস্ট ২০২৪ সালে আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে বোন অভয়ার নৃশংস খুন ও ধর্ষণের ঘটনায় তৎকালীন আর জি কর-এর সুপার কুখ্যাত সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে আইনি পদ্ধতি অনুযায়ী ইডি কে উক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে দোষী সাব্যস্ত করার অনুমতি প্রদান করা হলো (Sanction of Prosecution has been accorded)।’
মুখ্যমন্ত্রী আরও লিখেছেন, ‘বিগত তৃণমূল কংগ্রেস সরকার জোরপূর্বক ও অনৈতিকভাবে এই মামলার তদন্ত প্রক্রিয়া দীর্ঘদিন আটকে রেখেছিল। কিন্তু আমরা বিশ্বাস করি, আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়। সত্যকে চাপা দিয়ে রাখা যায় না। আমি চাই, বোন অভয়ার প্রকৃত দোষীরা দ্রুত চিহ্নিত হোক, কঠোরতম শাস্তি পাক এবং বাংলার মানুষ ন্যায়বিচার প্রত্যক্ষ করুক। বোন অভয়ার আত্মার চিরশান্তি কামনা করি।’
অন্যদিকে, আর জি কর হাসপাতালে নির্যাতিতা চিকিৎসকের ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনার পরে পুলিশের যথাযথ পদক্ষেপ না করা, এফআইআর-এ দেরি, গাফিলতির অভিযোগে তিন জন আইপিএস অফিসারকে সাসপেন্ড করে তাঁদের ভূমিকা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে রাজ্য সরকার ৷
