Last Updated:
Business Idea: ফেলে দেওয়া আখের ছিবড়ে থেকে লক্ষ্মীলাভ। এতদিন যা ছিল অবহেলার বস্তু, এখন সেই আখের ছিবলে থেকে তৈরি হচ্ছে ইকো ফ্রেন্ডলি থালা, বাটি। থিম রেস্টুরেন্ট থেকে শুরু করে বড় বড় অনুষ্ঠান বাড়ি, হু-হু করে বাড়ছে চাহিদা। এই কাজ শুরু করে ভাগ্য ফিরেছে অনেকের।
কাঁকসা, পশ্চিম বর্ধমান: বিভিন্ন অনুষ্ঠান বাড়িতে শালপাতার থালা, বাটি ব্যবহারের চাহিদা বাড়ছে। এটি প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে তৈরি। ফলে পরিবেশ দূষণের সম্ভাবনা কম। কিন্তু শালপাতার তৈরি থালা, বাটি খুব একটা টেকসই হয় না। যে কারণে অনেকেই শালপাতার থালা, বাটি ব্যবহারের সুবিধা জেনেও সেটি এড়িয়ে যেতে চান। আর সেখানেই যোগ হয়েছে নতুন উপাদান দিয়ে তৈরি থালা, বাটি। যেগুলি তুলনামূলক মজবুত। অথচ পরিবেশের কোনও ক্ষতি করবে না।
এত দিন ধরে জঙ্গলমহলের প্রান্তিক ও আদিবাসী মহিলাদের রুটিরুজির মূল ভরসা ছিল জঙ্গল থেকে কুড়িয়ে আনা শালপাতার থালা-বাটি। তবে সেই বহু পুরনো ও চেনা ছক বদলে এবার সেখানে জায়গা করে নিচ্ছে আখের ছিবড়ে। কাঁকসার আদিবাসী গ্রামগুলিতে এখন আখের ছিবড়ে দিয়ে থালা-বাটি তৈরির ব্যাপক ধুম লেগেছে। সম্পূর্ণ আধুনিক মেশিনের সাহায্যে স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলারা তৈরি করছেন এই সমস্ত পরিবেশবান্ধব বাসনপত্র।
বিভিন্ন আধুনিক থিম হোটেল থেকে শুরু করে বড় বড় সামাজিক অনুষ্ঠান বাড়ি ও বিয়েবাড়িতে হু হু করে বাড়ছে আখের ছিবড়ের তৈরি বাসনের চাহিদা। আখের ছিবড়ে প্রসেস করে তৈরি এই ইকো ফ্রেন্ডলি থালা, বাটি থেকে বাড়তি লক্ষ্মীলাভ হচ্ছে স্থানীয় আদিবাসী পরিবারগুলির। শালপাতার পাশাপাশি অবহেলার আখের ছিবড়েকে হাতিয়ার করে জঙ্গলমহলের মহিলারা এখন স্বনির্ভরতার নতুন দিশা দেখছেন।
Durgapur,Barddhaman,West Bengal
