Last Updated:
Falta Assembly RePoll Election 2026 latest voting update: গত ২৯ এপ্রিলের ভোটগ্রহণ পর্বে ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের একাধিক বুথে কারচুপির অভিযোগ ওঠে৷ তার পরে নির্বাচন কমিশনের বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত অভিযোগগুলি খতিয়ে দেখার পরে এই কেন্দ্রে পুনর্নির্বাচনের নির্দেশ দেওয়া হয়৷
ফলতা: দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রে আজ, ২১ মে বৃহস্পতিবার পুনর্নির্বাচন। মোট ২৮৫টি বুথে ফের ভোটগ্রহণ হবে। এই কেন্দ্রে মোট ভোটার সংখ্যা প্রায় ২ লক্ষ ২৫ হাজার। নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, ২৯ এপ্রিল বহু বুথে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া ব্যাহত হওয়ায় পুরো কেন্দ্রেই পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আজ সকাল ৭টা থেকে বিকেল ৬টা পর্যন্ত ভোট চলবে। গণনা হবে ২৪ মে।
প্রার্থিপদ প্রত্যাহার করেছেন তৃণমূলের জাহাঙ্গির খান। ফলতায় মূূল লড়াই বাম এবং বিজেপির মধ্যে। ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী দেবাংশু পণ্ডা, CPM প্রার্থী শম্ভুনাথ কুড়মি। কংগ্রেসের হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আব্দুর রজ্জাক।
কেন্দ্রীয় বাহিনীর কড়া ঘেরাটোপের মধ্যে এদিন সকালে শুরু হয় মকপোল। প্রতিটি বুথে আধাসেনা মোতায়েন করা হয়। বানেশ্বরপুর আদর্শ বিদ্যামন্দিরের ১১৬ নম্বর বুথ ভোটাররা এসে লাইন দিয়েছেন। ভোটের লাইন শিরাকোল উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের বাইরেও।
১৫ বছর জাহাঙ্গিরের ভয় ভোট দিতে পারেননি এমনটাই অভিযোগ করছেন হাসিম নগর হাই স্কুলের ভোটাররা। গত ২৯ তারিখ ভোট না দিতে পেরে রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ শুরু করেন তাঁরা। আজ সকাল থেকেই ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের বাইরে দীর্ঘ লাইন। এখানে দুটি বুথ রয়েছে ১১০,১১০A। ভোটারদের চোখেমুখে হাসির ছবি। কোনওরকম আর ভয় নেই। সকাল থেকেই ভোট দান প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করছে তাঁরা। এমনটাই দাবি স্থানীয়দের।
নির্বাচন কমিশনের বেনজির সিদ্ধান্তে পুরো ফলতা কেন্দ্রের ভোটই বাতিল করেছে। ফের ভোট নেওয়া শুরু হয়েছে আজ সকাল ৭ টা থেকে।
প্রসঙ্গত, ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ পর্বে একাধিক জায়গা থেকে কারচুপির অভিযোগ উঠেছিল। একাধিক বুথে ইভিএমে টেপ লাগানো ছিল বলে অভিযোগ ওঠে। বুথ দখল ও ছাপ্পা ভোটের অভিযোগ জমা পড়ে। ভোটারদের ভয় দেখানো ও বাধা দেওয়ার অভিযোগও ছিল। অনেক বুথের সিসিটিভি বা ভিডিও রেকর্ডিং পাওয়া যায়নি। কিছু বুথে দীর্ঘ সময় ভিডিও নজরদারি বন্ধ ছিল। নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের কর্মীদের বুথের ভিতরে অযাচিত উপস্থিতির অভিযোগ ওঠে। ভুয়ো ভোটার এবং অন্যের হয়ে ভোট দেওয়ার অভিযোগও সামনে আসে।
নির্বাচন কমিশনের বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্তর রিপোর্টে বলা হয়, ভোটের দিন সকালে একাধিক বুথের ক্যামেরা বন্ধ ছিল এবং পরে “টেপ রিমুভড” বলে তথ্য দেওয়া হয়। সেই সময়ের মধ্যেই বিপুল ভোট পড়ে যায়। এরপর নির্বাচন কমিশন গোটা ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের সব বুথে পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেয়। কমিশনের বক্তব্য ছিল, সেখানে “স্বচ্ছ ও গণতান্ত্রিক ভোট প্রক্রিয়া” বজায় রাখা সম্ভব হয়নি।
