মুম্বই: আইপিএলের চতুর্থ দল হিসেবে কারা প্লে অফে জায়গা করে নেবে, সেই লড়াইটা ঘিরেই রবিবার আগ্রহ বেড়েছিল। আইপিএলে লিগ পর্বে দুটো শেষ ম্য়াচ। প্রথম ম্য়াচে রাজস্থানের বিরুদ্ধে খেলতে নেমেছিল মুম্বই। আর দ্বিতীয় ম্য়াচে কেকেআর খেলছে দিল্লির বিরুদ্ধে। যদিও প্রথম ম্য়াচে যা ফল হয়েছে, তাতে দ্বিতীয় ম্য়াচটি কেকেআরের কাছে নিয়মরক্ষারই হয়ে দাঁড়িয়েছে। কারণ রাজস্থান হারিয়ে দিয়েছে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে। যার ফলে কেকেআর ও পঞ্জাব কিংস দুটো দলই আইপিএল থেকে বিদায় নিল।
একটা সময় ছিল যখন রাজস্থান রয়্যালসের ১৩৯ রানের মধ্যে ৬ উইকেট পড়ে গিয়েছিল। কিন্তু সেখান থেকে রাজস্থান শিবির ২০৫ রান বোর্ডে তুলে নিয়েছিল। ঠিক সেখানেই হয়ত মুম্বই ম্য়াচে পিছিয়ে পড়েছিল অনেকটা। শেষ ৫ ওভারে ৭৬ রান বোর্ডে তুলে নিয়েছিল রাজস্থান রয়্যালস। জোফ্রা আর্চার, জাডেজা মিলে যেভাবে দলের স্কোর এগিয়ে নিয়ে গিয়েছিলেন, তাতে চাপ বেড়েছিল কেকেআরেরও। ইডেনে দিল্লির বিরুদ্ধে ম্য়াচ খেলার আগে রাহানের দল চেয়েছিলেন যে যেনতেন ভাবে রাজস্থান যেন ম্য়াচটি হারে। কিন্তু তেমনটা আর হল না।
ব্যাট করতে নেমে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স প্রথম ওভারেই বিরাট ধাক্কা খায়। ইম্প্যাক্ট প্লেয়ার হিসেবে ব্যাট করতে নামা রোহিত শর্মাকে শুরুতেই জোফ্রা আর্চার ফিরিয়ে দেন। ব্য়াটের কানায় লেগে শূন্য় রান করই প্যাভিলিয়ন ফিরে যান রোহিত। দ্রুত নমন ধীর, তিলক বর্মারাও ফেরেন। কেউই রান পাননি। এদিন কিছুটা লড়াই করেছিলেন সূর্যকুমার যাদব। অর্ধশতরানের ইনিংসও খেললেন। হয়ত জাতীয় দলে নিজের জায়গা বাঁচানোর ইনিংসটি খেলার চেষ্টা করলেন এদিন। তবে তা মুম্বইয়ের জয়ের জন্য যথেষ্ট ছিল না।
উইল জ্য়াকসকে নিয়ে স্কোরবোর্ড সচল রাখার চেষ্টা করেছিলেন সূর্যকুমার। জ্যাকস ১৮ বলে ৩৩ রান করেন। তিনটি বাউন্ডারি ও দুটো ছক্কা হাঁকান তিনি নিজের ইনিংসে। ইংল্যান্ড তারকা ফিরে যাওয়ার পর মুম্বই অধিনায়ক হার্দিক পাণ্ড্যও একটা মরিয়া চেষ্টা করেছিলেন। তবে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে তিনি আউট হতেই মুম্বইয়ের হারের দেওয়াল লিখন স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল। এরপর পরপর উইকেট হারাতে থাকে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। শেষ পর্যন্ত ৩০ রানে ম্য়াচ জিতে যায় রাজস্থান শিবির। দলের হয়ে এদিন ব্যাট বল দুটো ডিপার্টমেন্টেই ম্য়াচ জেতানো পারফর্ম করলেন জোফ্রা আর্চার। প্রথমে ঝোড়ো ক্যামিওর পর বল হাতেও ৩ উইকেট তুলে নেন আর্চার।