Last Updated:
Siddaramaiah-র ইস্তফার পর কর্নাটকের রাজনীতিতে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। দ্রুত গতিতে এগোচ্ছে ক্ষমতার রদবদল এবং নতুন মন্ত্রিসভা গঠন নিয়ে কংগ্রেসের অন্দরমহলে চলছে টানা আলোচনা। তবে মুখ্যমন্ত্রীর পদ ছাড়লেও রাজনৈতিক প্রভাব বজায় রাখতে চাইছেন প্রবীণ এই কংগ্রেস নেতা। সূত্রের খবর, তিনি তাঁর ছেলেকে উপমুখ্যমন্ত্রী পদে দেখতে আগ্রহী বলেই দলের শীর্ষ নেতৃত্বকে বার্তা দিয়েছেন।
একদিন আগেই মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর পর থেকেই নতুন সরকারে কারা জায়গা পাবেন, কোন নেতার গুরুত্ব বাড়বে এবং কীভাবে গোষ্ঠীসমীকরণ সামলানো হবে— তা নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে কর্নাটক কংগ্রেসে।
কর্নাটকে ক্ষমতার রদবদল এখন দ্রুত গতিতে এগোতে শুরু করেছে। প্রবীণ কংগ্রেস নেতা সিদ্দারামাইয়া মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার একদিন পরেই নতুন সরকার গঠনের রূপরেখা নিয়ে জোরদার আলোচনা শুরু করেছে কংগ্রেসের অন্দরমহলে। কিন্তু, ইস্তফা দিলেও, ক্ষমতার কিছুটা রাশ নিজের হাতে রাখতে চাইছেন প্রবীণ এই কংগ্রেস নেতা। তাঁর ছেলেকে উপমুখ্যমন্ত্রী করার কথা জানিয়েছেন তিনি।
আগামী মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ডিকে শিবকুমারের শপথ নেওয়ার আগেই দলের অন্দরমহলে শুরু হয়েছে কে মন্ত্রিসভায় থাকবেন, কে বাদ পড়বেন এবং সিদ্দারামাইয়া-পরবর্তী সময়ে কোন নতুন শক্তিকেন্দ্র উঠে আসবে, তা নিয়ে জল্পনা।
এই প্রক্রিয়াটি রাজনৈতিকভাবে যথেষ্ট জটিল। আঞ্চলিক ভারসাম্য, জাতিগত সমীকরণ, প্রজন্মগত পরিবর্তন, গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব সামাল দেওয়া এবং দীর্ঘদিন ধরে সুযোগের অপেক্ষায় থাকা নেতাদের উচ্চাকাঙ্ক্ষা— সব দিক মাথায় রেখেই সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে কংগ্রেস নেতৃত্বকে।
একাধিক সূত্রের দাবি, কংগ্রেস শীর্ষ নেতৃত্ব শুধুমাত্র রুটিন রদবদল নয়, বরং বড়সড় পরিবর্তনের দিকেই এগোচ্ছে। কেরল মডেলের আদলে অভিজ্ঞ মন্ত্রীদের সঙ্গে তরুণ মুখদেরও জায়গা দেওয়ার ভাবনা রয়েছে, যাতে ২০২৮ সালের বিধানসভা নির্বাচনের প্রস্তুতি আরও শক্তিশালী করা যায়।
কংগ্রেস নেতা সতীশ জারকিহোলি এই ইঙ্গিতই দিয়েছেন। তিনি বলেন, “মন্ত্রিসভায় নতুন ও তরুণ মুখ থাকা দরকার। ভবিষ্যতের জন্য এটা জরুরি।” একইসঙ্গে তিনি জানান, কর্নাটক প্রদেশ কংগ্রেস কমিটির (KPCC) নেতৃত্ব নিয়েও আলোচনা হবে, তবে তা সিদ্দারামাইয়া ও শিবকুমার বেঙ্গালুরু ফিরে আসার পর।
জারকিহোলি আরও জানান, একাধিক সিদ্ধান্ত এখনও চূড়ান্ত হয়নি। তাঁর কথায়, “কতজন উপমুখ্যমন্ত্রী থাকবেন, তা জানতে আগামীকাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।” তিনি আরও বলেন, শুক্রবার কংগ্রেস লেজিসলেটিভ পার্টির বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এবং সোমবারের মধ্যে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান হতে পারে।
অন্যদিকে, কর্নাটকের প্রাক্তন আইনমন্ত্রী এইচকে পাটিল স্পষ্ট জানিয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রীর পদ ছাড়লেও সিদ্ধারামাইয়া রাজ্যের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাবেন।
এই বার্তাটি যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ কংগ্রেসের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ এখন ক্ষমতার পরিবর্তন ঘটানো, কিন্তু একইসঙ্গে সিদ্ধারামাইয়ার অনুগামীদের অসন্তুষ্ট না করা। এখনও দলের সংগঠন এবং বিধায়ক শিবিরের বড় অংশে তাঁদের যথেষ্ট প্রভাব রয়েছে।
Kolkata [Calcutta],Kolkata,West Bengal
