Last Updated:
ছেলে সৌরভ বসুর পর এবার ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় শিবিরেই যোগ দিলেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য৷
দলনেত্রীর কথায় আহত হয়েই তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হাত ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। শনিবার কালীঘাট তৃণমূলের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার পর এমনই বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। এ দিনই মমতা পন্থী তৃণমূলের রাজ্য সভাপতির পদ থেকেও ইস্তফা দিয়েছেন চন্দ্রিমা।
প্রসঙ্গত, গতকালই মেট্রোপলিটনে তৃণমূল ভবনের দখল নেওয়ার চেষ্টা করে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় গোষ্ঠী। রাতে আবার ভবনের দখল নেওয়ার চেষ্টা করে মমতা পন্থী তৃণমূল শিবিরের নেতারা। শেষ পর্যন্ত বিষয়টি নিয়ে হস্তক্ষেপ করে পুলিশ। কোনওপক্ষকেই আপাতত তৃণমূল ভবনে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। ভবনের পাহারায় মোতায়েন করা হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী।
এ দিন সকালে কালীঘাট পন্থী তৃণমূলের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য অভিযোগ করেন, গতকাল তৃণমূল ভবন নিয়ে এই টানাপোড়েনের পরই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে ফোন করতে বলেছিলেন। ফোন করার পর দলীয় সদর দফতর হাতছাড়া হওয়ার জন্য সরাসরি তাঁকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দোষারোপ করেন বলে অভিযোগ চন্দ্রিমার৷ দলনেত্রীর কথায় আহত হয়েই তিনি সম্পর্ক ছিন্ন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলেই দাবি রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রীর৷
চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বলেন, ‘গতকাল আমাকে আমাদের সর্বজন শ্রদ্ধেয়া মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমাকে ফোন করতে বলেন। আমি ততক্ষণাৎ ফোন করি। তিনি আমাকে বলেন, তুমি ওদের হাতে ভবন তুলে দিলে? আমি বললাম দিদি আপনি আমাকে এটা বললেন? আমি কোনওদিন কারও হাতে ভবন তুলে দিতে পারি? এই কথায় আমার এত দুঃখ হয়েছে, আমি বেদনাহত। আমার আমি মনে করলাম যে কোথাও আমার আনুগত্যে কোনও প্রশ্নচিহ্ন থেকে যাচ্ছে। যখন আনুগত্যে কোনও প্রশ্নচিহ্ন থাকে তখন সেখানে থেকে কাজ করা উচিত নয় বলে আমি মনে করি।’
বিধানসভা নির্বাচনে ভরাডুবির পর সুব্রত বক্সির জায়গায় চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যকে দলের রাজ্য সভাপতি করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ তৃণমূল ক্ষমতায় থাকাকালীন সরকারে এবং দলে একাধিক গুরুদায়িত্ব সামলেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একদা আস্থাভাজন এই নেত্রী৷
Kolkata,West Bengal
