Last Updated:
দ্বিতীয় এবং শেষ দফাও শান্তিপূর্ণভাবেই মিটল। আর এই ভোট মিটতেই নির্বাচন কমিশন এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীকেই এই সাফল্যের কৃতিত্ব দিলেন বিজেপি নেতা তথা খড়গপুর সদরের প্রার্থী দিলীপ ঘোষ।
দ্বিতীয় এবং শেষ দফাও শান্তিপূর্ণভাবেই মিটল। আর এই ভোট মিটতেই নির্বাচন কমিশন এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীকেই এই সাফল্যের কৃতিত্ব দিলেন বিজেপি নেতা তথা খড়গপুর সদরের প্রার্থী দিলীপ ঘোষ। একইসঙ্গে পুলিশের বডি ল্যাঙ্গোয়েজ বদলে গিয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “জ্ঞানেশ কুমারকে যারা ভ্যানিশ কুমার বলেছিল তারাই ভ্যানিশ হয়ে যাওয়ার দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে আছেন। উনি এবার দুই দফায় ভোট করে খুব বড় চ্যালেঞ্জ নিয়েছিলেন। শান্তিপূর্ণ এবং ঐতিহাসিক ভোট করে দেখিয়েছেন। চাইলে প্রশাসন অনেক কিছু করতে পারে। শুধু উনি নন কাল কেন্দ্রীয় আধা সেনা তাদের কর্তব্য করেছে এমনকি পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ এবং কলকাতা পুলিশের বডি ল্যাঙ্গোয়েজ চেঞ্জ হয়ে গেছে। পুলিশ চাইছে সুযোগ দেওয়া হোক। কিছু করে দেখাতে চাইছে।”
শুধু কেন্দ্রীয় বাহিনী নয় পুলিশের বডি ল্যাঙ্গোয়েজ চেঞ্জ হয়ে গিয়েছে বলেও জানান তিনি।
এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “পুলিশ সবথেকে বেশি পাবলিক কন্ট্যাক্ট করে। ওরা পাবলিকের গালাগালি খায় মার খায়। আবার ভালো কাজ করলে প্রশংসা পায়। তারাই সবথেকে আগে বুঝতে পারে কি হতে চলেছে। নাহলে কাল কার্তিক ব্যানার্জীকে পুলিশ যেভাবে চমকেছে, সোজা কথা সোজা ভাবে বলেছে, এইভাবে পিঠ সোজা রেখে কথা বলতে আমরা সাম্প্রতিক কালে পুলিশকে দেখিনি। বিষয়টা আমার খুব ভালো লেগেছে।”
একইসঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়ায় মন্ত্রিসভার বিষয় নিয়েও মুখ খোলেন তিনি। তিনি বলেন, “আমি সোশ্যাল মিডিয়ার চর্চায় বিশ্বাসী নই। আমি ফেসবুকের বদলে ফেস টু ফেস বেশি ভরসা রাখি। কিছু মানুষ সোস্যাল মিডিয়ায় সরকার গড়ে ভাঙে মন্ত্রিসভা গঠন করে।”
তাঁকে প্রশ্ন করা হয় তাঁর পছন্দের দফতর কোনটা? এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমি সরকার চাই। মন্ত্রিত্ব নয়। সরকার হোক। মন্ত্রিসভা নিয়ে পরে ভাবা যাবে। বাংলার মানুষ আগে সরকার পাল্টাক। কাল থেকে তো আবহাওয়া পাল্টে গেছে। সরকার তো পাল্টাবেই।
Kolkata [Calcutta],Kolkata,West Bengal
