কলকাতা: তৃণমূলে সাংসদ বনাম সাংসদ! কাকলিকে পাল্টা আক্রমণ কল্যাণের। নারদকাণ্ড নিয়ে কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে নিশানা কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের। ‘উনি নারদকাণ্ডে ক্যামেরার সামনে ৫ লক্ষ টাকা নিয়েছেন। সিবিআই চার্জশিট পেশ করেছে, বিচারপ্রক্রিয়া শুরুর জন্য স্পিকারের অনুমতি চেয়েছে। নারদকাণ্ডে লোকসভার স্পিকারের কাছে সাংসদদের বিরুদ্ধে বিচারপ্রক্রিয়া শুরুর অনুমোদন ঝুলে রয়েছে। বিচারপ্রক্রিয়া শুরুর অনুমোদন দিতে স্পিকারকে শীঘ্রই চিঠি লিখব’, কাচের ঘরে থেকে ঢিল ছোড়া উচিত নয়, হুঙ্কার কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের।
আরও পড়ুন, ED-র ভূমিকায় প্রশ্ন তুলে হাইকোর্টের দ্বারস্থ সুজিত বোস
ভোটে বিপর্যয়ের পর তৃণমূলে মুষলপর্ব। দলের বিভিন্ন পদ থেকে ইস্তফা একের পর এক নেতার। মুখ খুলছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়, অভিষেকের বিরুদ্ধে। তারই মধ্যে সংঘাতে জড়িয়ে পড়লেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার এবং কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্য়ায়। এদিন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, মাননীয় স্পিকার সাহেব কী করবেন, সেটা তো ওনার …সেখানে আমি কিছু বলতে পারি না। ও কমপ্লেনটাই করেছে যে…কবে আমি গালাগালটা দিয়েছি ? আগে কখনও মনে হল না ? ওরকমভাবে হয় না। ..সবকিছুর তো একটা নিয়ম আছে। আমি যদি লোকসভার মধ্যে কোনওরকম কিছু করে থাকি, ..যেটা এথিকসের বাইরে, তাহলে নিয়ম কী ? যে সঙ্গে সঙ্গে স্পীকারকে জানাতে হবে। ..অভিযোগগুলি মিথ্যে, কিন্তু ওনাকে একটা গ্রাউন্ড তৈরি করতে হচ্ছে।’