Last Updated:
Karnataka Congress: সিদ্দারামাইয়া বলেন, ‘‘হাইকম্যান্ড আমাকে পদত্যাগ করতে বলেছিল, তাই আজ পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছি। আমি জানি রাজ্যপাল এলে তা গ্রহণ করবেন, কারণ এটি সংবিধান অনুযায়ীই করতে হবে… আমরা নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠ। সুতরাং, মুখ্যমন্ত্রীকে (সরকার গঠনের) অনুমতি দেওয়া সাংবিধানিকভাবেই সমীচীন।’’
বেঙ্গালুরু: দীর্ঘ টানাপড়েনের ইতি৷ কর্ণাটক কংগ্রেসে হয়ে গেল বড়সড় পালাবদল৷ সিদ্দারামাইয়া জানিয়ে দিলেন, কংগ্রেস হাইকম্যান্ডের নির্দেশে তিনি কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন৷ লোকভবনে গিয়ে জমা দিয়ে এসেছেন তাঁর ইস্তফাপত্র৷ এরপরেই সিদ্দারামাইয়া জানিয়েছেন, কংগ্রেস হাইকম্যান্ডের তরফে তাঁকে রাজ্যসভার সাংসদ হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল৷ কিন্তু, সেই প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছেন তিনি৷
কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে পদত্যাগের কিছুক্ষণ পরই সিদ্দারামাইয়া জানান যে, তিনি সক্রিয় রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন না৷ বরং স্পষ্ট করে দেন যে, জাতীয় রাজনীতির পরিবর্তে তাঁর মনোযোগ থাকবে রাজ্যের দিকেই।
সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে কংগ্রেসের প্রবীণ নেতা বলেন, তিনি রাজ্যসভায় যাওয়ার প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছেন। এর মাধ্যমে তিনি ইঙ্গিত দেন যে, শীর্ষ পদটি ছেড়ে দেওয়ার পরেও তিনি কর্ণাটকের রাজনৈতিক অঙ্গনে সক্রিয় থাকতে চান।
সিদ্দারামাইয়া বলেন, ‘‘আমাকে রাজ্যসভায় যেতে বলা হয়েছিল, কিন্তু আমি বিনয়ের সঙ্গে জানিয়ে দিয়েছি যে, আমি যেতে পারব না। রাজ্য রাজনীতিতেই আমার আগ্রহ আছে। জনগণ আমাকে ৫ বছরের জন্য নির্বাচিত করেছেন, আরও ২ বছর বাকি আছে। আমি এখানেই থাকব৷’’
তাঁর মন্তব্যের মাধ্যমে এই জল্পনাও নাকচ হয়ে গেছে বলে মনে হচ্ছে যে, কর্ণাটকে নেতৃত্ব পরিবর্তনের পর কংগ্রেস নেতৃত্ব তাঁকে দিল্লিতে সরিয়ে নিয়ে যেতে পারে।
বৃহস্পতিবার কংগ্রেস নেতা সিদ্দারামাইয়া আনুষ্ঠানিকভাবে কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেন, যা কর্ণাটকে এক বড় নেতৃত্ব পরিবর্তনের সূচনা করেছে। পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার কিছুক্ষণ পরেই সিদ্দারামাইয়া সাংবাদিকদের জানান যে, তিনি লোক ভবনে তাঁর পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। কর্ণাটকের রাজ্যপাল থাওয়ারচাঁদ গেহলট বর্তমানে রাজ্যের বাইরে রয়েছেন, আজ রাতে ফিরছেন। সেই কারণে, সিদ্দারামাইয়া কর্ণাটকের রাজ্যপালের বিশেষ সচিব প্রভু শঙ্করের কাছে তাঁর পদত্যাগপত্র জমা দেন। এদিন সিদ্দারামাইয়ার সঙ্গে ছিলেন উপ-মুখ্যমন্ত্রী ডিকে শিবকুমার।
তিনি বলেন, “আমি রাজ্যপালের কার্যালয়ে আমার পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছি। গভর্নর এখানে নেই; তিনি আজ রাতে ফিরছেন। তাই, আমি তাঁর কার্যালয়েই পদত্যাগপত্রটি জমা দিয়েছি৷” সিদ্দারামাইয়া বলেছেন, তিনি বারবার বলে এসেছেন যে কংগ্রেস হাইকমান্ডের নির্দেশেই তিনি পদত্যাগ করবেন এবং দলীয় নেতৃত্বের নির্দেশ মেনেই তিনি পদত্যাগ করেছেন।
