Last Updated:
Malda Mango Farming: মালদহের আম চাষে ভাগ্য বদলাচ্ছে আধুনিক ‘ফ্রুট ব্যাগিং’ পদ্ধতি। বিষমুক্ত ও দাগহীন আম উৎপাদন করে বিদেশের বাজারে রফতানি করছেন মালদহের চাষিরা। সাধারণ আমের তুলনায় দ্বিগুণ দামে বিক্রি হচ্ছে এই এক্সপোর্ট কোয়ালিটির আম।
মালদহ, জিএম মোমিন: আধুনিক প্রযুক্তির ছোঁয়ায় এবার ভাগ্য খুলতে শুরু করেছে মালদহের আম চাষিদের। বিশেষ “ফ্রুট ব্যাগিং” পদ্ধতি ব্যবহার করে উৎপাদিত আম বাজারে মিলছে দ্বিগুণ দামে। ফলে লাভের আশায় আবারও এই আধুনিক পদ্ধতির উপর ভরসা রাখছেন জেলার আম চাষিরা। মালদহ জেলার বিখ্যাত ফজলি, হিমসাগর, আসিনা, লক্ষণভোগ, ল্যাংড়া-সহ বিভিন্ন প্রজাতির আমের চাহিদা দেশজুড়েই রয়েছে। কিন্তু অনেক সময় ভাল দাম না মেলায় সমস্যায় পড়তে হয় চাষিদের।
সাধারণত জেলার বাজার কিংবা ভিনরাজ্যে পাঠানোর ক্ষেত্রে আম ৫০ থেকে ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়। পাশাপাশি এক্সপোর্ট কোয়ালিটির অভাবে বিদেশের বাজারেও পৌঁছতে পারে না জেলার অধিকাংশ আম। এই পরিস্থিতিতে আমের গুণগত মান, রং ও স্বাদ অক্ষুণ্ণ রাখতে নতুন করে আশার আলো দেখাচ্ছে “ফ্রুট ব্যাগিং” পদ্ধতি। এই পদ্ধতিতে আম ছোট অবস্থায় বিশেষ ব্যাগ দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়। ফলে পোকামাকড়ের আক্রমণ কমে, দাগ পড়ে না এবং কীটনাশকের ব্যবহারও অনেকটাই কমানো সম্ভব হয়।
ফ্রুট ব্যাগিং ব্যবহারকারী আম চাষি অনুপ প্রসাদ সাউ জানান, “গতবছর কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্রের তরফে পরীক্ষামূলকভাবে বিশেষ ফ্রুট ব্যাগ দেওয়া হয়েছিল। সেই ব্যাগ ব্যবহার করার পর খুব সুন্দর ও ভাল মানের আম হয়েছিল। বাজারে সেই আমের দামও দ্বিগুণ পেয়েছিলাম।” তিনি আরও বলেন, “এই পদ্ধতিতে উৎপাদিত আম এক্সপোর্ট কোয়ালিটির হয়। গতবার জেলার এক নামী এক্সপোর্ট কোম্পানির মাধ্যমে এই আম লন্ডন-সহ বিভিন্ন দেশে রফতানি হয়েছিল। তাই এবারও বেশি লাভের আশায় ফ্রুট ব্যাগিং পদ্ধতি ব্যবহার করছি। এতে পরিচর্যার খরচ ও কীটনাশক স্প্রে দুটোই কমেছে।”
Maldah,West Bengal