Last Updated:
Municipality recruitment Scam: চার্জশিটে ইডি দাবি করেছে, দক্ষিণ দমদম পুরসভার ৩৪০ জনের নাম সুপারিশ করেছিলেন সুজিত বসু। চাকরি প্রার্থী প্রতি সুজিত বসু ৬ লক্ষ টাকা নিয়েছিলেন বলে চার্জশিটে অভিযোগ ইডির৷ পুরসভা নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এখনও পর্যন্ত ২৫০ কোটি টাকার দুর্নীতির হদিস মিলেছে বলে আদালতে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা৷
কলকাতা: পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এবার নাম জড়ালনব তৃণমূলে যোগ দেওয়া রাজ্যের প্রাক্তন পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের৷ জানা গিয়েছে, দক্ষিণ দমদম পুরসভায় নিয়োগে ৬ জন প্রার্থীর সুপারিশ করেছিলেন ফিরহাদ হাকিম৷ নিতাই দত্তের বয়ান এবং তাঁর বাড়ি থেকে প্রাপ্ত নথিতে এমনই তথ্য এসেছে ইডি-র হাতে৷ সম্প্রতি আদালতে জমা দেওয়া চার্জশিটে সেই কথা উল্লেখ করেছে ইডি৷
নিতাই দত্তর অফিস থেকে পাওয়া নথি অনুযায়ী তাঁকে জিজ্ঞেসা করা হলে তিনি জানিয়েছেন, সমস্ত কাউন্সিলররা ঠিক করেছিলেন একত্রিতভাবে, প্রত্যেক কাউন্সিলর দু’জনের নাম সুপারিশ করতে পারবেন। প্রত্যেক চেয়ারম্যান ইন কাউন্সিল ৫ জনের নাম চাকরির জন্য সুপারিশ করতে পারবেন। ফিরহাজ হাকিম ৬ জনের নাম সুপারিশ করতে পারবেন আর দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায় (cic ) ও প্রবীর পাল ৮ জন করে নাম সুপারিশ করতে পারবেন।
একটি ফাইলে সুপারিশ করা চাকরিপ্রার্থীর নাম লেখা থাকত৷ আলোক কুমার মজুমদার, গৌরব সিংহ, সুদীপ সিংহ, অরুন মন্দা নামে যারা কাজ দক্ষিণ দমদম পুরসভায় পেয়েছে তাঁদের সুপারিশ করেছে সুজিত বসু।
হেল্পার, মজদুর, পিওনের চাকরির জন্য সুপারিশ যারা করেছে তাঁদের নাম লেখা ছিল তালিকায়। হেল্পারের তালিকার মধ্যে সুপারিশ করা হয়েছে বলে “ববি দা” “সুজিত দা” নাম লেখা ছিল৷ মজদুরের চাকরির তালিকায়, ববি দা, সুজিত দা, চেয়ারম্যান, DB, KT লেখা ছিল সুপারিশকারী হিসেবে। সুজিত বসু ছাড়াও কাউন্সিলর আর প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতা সুপারিশ করেছিল বলে জানা গিয়েছে৷
দক্ষিণ দমদম পুরসভার নিয়োগে বেনিয়মের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয় সুজিত বসুকে। গত ৯ জুলাই তাংর গ্রেফতারির ৬০ দিন পরে বিশেষ আদালতে সুজিত বসুর বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দেন ইডির আইনজীবী৷ চার্জশিটে ইডির অভিযোগ ছিল, পুরসভা নিয়োগের গোটা দুর্নীতির ঘটনার ‘মাস্টার মাইন্ড’ ছিলেন সুজিত বসু৷ পুরসভা নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ২০ কোটি টাকা এসেছে সুজিত বসুর হাত ধরে৷ ৩ কোটি টাকা এসেছে জ্যোতিষ্মানের হাত ধরে৷
