Last Updated:
Narendra Modi: প্রচারের সময় নরেন্দ্র মোদি বারবার স্থানীয় সংস্কৃতির সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের চেষ্টা করেন। এর মধ্যে ঝাড়গ্রামে রাস্তার ধারের দোকানে ঝালমুড়ি খাওয়ার ঘটনাটি বিশেষভাবে আলোচিত হয়। পরে বিজেপি ও তৃণমূল কংগ্রেস উভয় পক্ষই নিজেদের প্রচারে বাঙালি সাংস্কৃতিক পরিচয়কে তুলে ধরতে এই ঘটনাকে ব্যবহার করে।
হেগ: গত বৃহস্পতিবারই নেদারল্যান্ডসে পৌঁছেছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি৷ সরকারি কর্মসূচি শেষে তিনি দেখা করেন নেদারল্যান্ডসের প্রবাসী ভারতীয়দের সঙ্গে দেখা করেন তিনি৷ কিন্তু, উল্লেখযোগ্য ভাবে সেখানেও উঠে আসে ঝালমুড়ি প্রসঙ্গ৷
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি শুক্রবার নেদারল্যান্ডসের সফরে গিয়ে মজার ছলে ঝালমুড়ির প্রসঙ্গ তোলেন। পশ্চিমবঙ্গের ঝাড়গ্রামে নির্বাচনী প্রচারের সময় তাঁকে জনপ্রিয় বাঙালি রাস্তার খাবার ঝালমুড়ি খেতে দেখা গিয়েছিল। যা পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির নির্বাচনী প্রচার এবং ফল পরবর্তী বিজেপির জয়ের প্রতীক হয়ে উঠেছিল৷
এদিন ভারতীয় প্রবাসীদের সঙ্গে এক অনুষ্ঠানে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, “ঝালমুড়িও কি নেদারল্যান্ডসে পৌঁছে গেছে?”—এই মন্তব্যে উপস্থিতদের মধ্যে হাসির রোল ওঠে।
এই মন্তব্য দ্রুতই অনলাইনে আলোচনার বিষয় হয়ে ওঠে৷ কারণ, সাম্প্রতিক সময়ে ঝালমুড়ি বাংলার রাজনৈতিক আলোচনারও অংশ হয়ে উঠেছে। এপ্রিল মাসে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারের সময় নরেন্দ্র মোদি ঝাড়গ্রামে হঠাৎ একটি রাস্তার ধারের দোকানে থেমে ঝালমুড়ি খান। সেই ঘটনাকে ঘিরে পরে বিজেপি এবং তৃণমূল কংগ্রেসের মধ্যে রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়।
প্রধানমন্ত্রী ভারতের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ নিয়েও কথা বলেন এদিন। তিনি বলেন, “ভারতে প্রতি বছরই রেকর্ড সংখ্যক ভোটদান হচ্ছে।” ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি জানান, ৬৪ কোটিরও বেশি মানুষ ভোট দিয়েছেন, যা ইউরোপীয় ইউনিয়নের মোট জনসংখ্যার থেকেও বেশি।’’
অর্থনৈতিক সম্পর্ক নিয়ে কথা বলতে গিয়ে Narendra Modi বলেন, প্রস্তাবিত ভারত-ইউরোপীয় ইউনিয়ন বাণিজ্য চুক্তি নেদারল্যান্ডস এবং সে দেশের মানুষের জন্য লাভজনক হবে। তিনি ভারতীয় প্রবাসীদের ভারত ও ইউরোপের মধ্যে একটি “বিশ্বস্ত সেতু” বলেও উল্লেখ করেন।
বাংলা ভোট এবং ঝালমুড়ি প্রসঙ্গ
সদ্য শেষ হওয়া পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে এই মন্তব্যটি এসেছে, যেখানে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল প্রচারে বাঙালি পরিচয় ও সাংস্কৃতিক প্রতীককে জোরালভাবে প্রকাশ করে। খাবার, ভাষা এবং আঞ্চলিক গর্ব বিজেপি ও শাসক তৃণমূল কংগ্রেসের মধ্যে তীব্র রাজনৈতিক লড়াইয়ের অন্যতম প্রধান বিষয় হয়ে ওঠে।
প্রচারের সময় নরেন্দ্র মোদি বারবার স্থানীয় সংস্কৃতির সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের চেষ্টা করেন। এর মধ্যে ঝাড়গ্রামে রাস্তার ধারের দোকানে ঝালমুড়ি খাওয়ার ঘটনাটি বিশেষভাবে আলোচিত হয়। পরে বিজেপি ও তৃণমূল কংগ্রেস উভয় পক্ষই নিজেদের প্রচারে বাঙালি সাংস্কৃতিক পরিচয়কে তুলে ধরতে এই ঘটনাকে ব্যবহার করে।
ঐতিহাসিক জয়ের পর পশ্চিমবঙ্গের প্রথম বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন শুভেন্দু অধিকারী।
