নয়াদিল্লি: প্রশ্নপত্র ফাঁস করলে শাস্তি হবে ১০ বছরের জেল ও ১০ কোটি টাকা জরিমানা, মোদীর মধ্যরাতের বার্তার পরেই খসড়া বিলে অনুমোদন দিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। লোকসভায় পেশ হতে পারে আগামী সপ্তাহে। আর এবার দেশের শিক্ষার্থীদের ধন্যবাদ জানিয়ে তাৎপর্যপূর্ণ পোস্ট প্রধানমন্ত্রী মোদির।
আরও পড়ুন, NEET আন্দোলনের মাঝে এবার নির্দেশিকা জারি পুলিশের, সাধারণ মানুষের জন্য কী কী বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা ?
নিট আন্দোলনের মাঝে ইতিমধ্য়েই নিজের বক্তব্য জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এদিকে কেন্দ্রের সঙ্গে বৈঠকে বসেছে ককরোচ জনতা পার্টি। কাল ফের থাকছে বৈঠক। এমন এক আবহে প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেছেন, ধন্যবাদ বন্ধুরা। কাল আপনাদের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ মিলেছে। আমি যে পোস্ট করেছিলাম, তাতে আপনারা যেভাবে সাড়া দিয়েছেন, ..তার জন্য সকলকে ধন্যবাদ জানাই। আপনাদের এই ভালোবাসা রয়ে যাবে। আমাদের সম্পর্ক আরও সক্রিয়ভাবে জুড়বে। এরপর পুনরায় ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী।
প্রশ্নফাঁসকাণ্ডে উত্তাল দেশ।কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ সহ একাধিক দাবিতে অনড় ছাত্র-যুবরা। ককরোচ জনতা পার্টি প্রধান মুখপাত্র সৌরভ দাস বলেন, আমরা বলেছি দিল্লি পুলিশের দ্বারা প্রচুর কমবয়সী ছেলে-মেয়ে, এই দেশের যুবসমাজ তাদের কাল রাত থেকে গোটা দিন,আজও আটক করা হচ্ছে কোনও কারণ ছাড়াই। ওরা আশ্বাস দিয়েছেন এরকম হবে না। দিল্লি পুলিশকে বলবেন এরকম যেন না করে।এই প্রেক্ষিতে প্রশ্নফাঁস রোধে কঠোর আইন আনতে চলেছে কেন্দ্রীয় সরকার।সোমবারই তা পেশ হতে পারে লোকসভায়।সূত্রের খবর, নতুন আইনে প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় দোষীদের হবে ১০ বছরের কারাদণ্ড। সেই সঙ্গে করা হবে ১০ কোটি টাকা জরিমানা। ফাস্ট ট্র্যাক আদালতে হবে বিচার। ৩ মাসের মধ্যে শেষ করা হবে শুনানি। ছাত্র-যুবদের ধারাবাহিক বিক্ষোভ, দেশজুড়ে সমালোচনা আর সংসদের ভেতরে-বাইরে তীব্র চাপে পড়ে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে সমাজমাধ্যমে ভিডিও বার্তা দেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, আজ আমি সংশ্লিষ্ট দফতরকে ফাস্টট্র্যাক আদালত এবং কঠোর শাস্তির বিধান সংক্রান্ত খসড়া প্রস্তুত করার নির্দেশ দিয়েছি। এরপর যত দ্রুত সম্ভব বিলটি সংসদে পাস করানোর চেষ্টা করা হবে। ‘ কংগ্রেস সর্বভারতীয় সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে বলেন,’যদি ওঁর কিছু বলার থাকে, তাহলে সংসদে এসে বলা উচিত। তবেই তা বিশ্বাসযোগ্য হবে আমাদের কাছে। সংসদে এসে স্টেটমেন্ট দিক উনি। রাত ১২টার বদলে দিনে সংসদে এসে যদি উনি কোনও বক্তব্য রাখেন, তবে তা ভেবে দেখা যেতে পারে।’ফাস্ট ট্র্যাক কোর্ট নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে এদিন বৈঠকে বসে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। সেখানে বিলে সবুজসঙ্কেত দেয় মন্ত্রিসভা।মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর বৈঠকে বসেন প্রধানমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।