কলকাতা: NEET-রাজ্যের সেরা ১০০ জন কৃতীদের সম্বর্ধনা মুখ্যমন্ত্রীর। নিটকাণ্ডে দেশজুড়ে আন্দোলনের মাঝে নিটে সফল হওয়া চিকিৎসকদের নিয়ে এবার বড় বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর। এদিন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘ আপনাদের যেটা আশ্বস্ত করতে চাই, জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়, ডক্টর শ্বারদত মুখোপাধ্যায়, মাননীয় মনোজ আগরওয়াল, মাননীয় নারায়ণ স্বরূপ নিগম, তাঁরা তাঁদের বক্তব্যে বলেছেন, বর্তমান সরকার পশ্চিমবঙ্গে, সরকারি এবং বেসরকরি, স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় ব্যপকভাবে পরিবর্তন এবং অগ্রগতির জন্য অঙ্গীকারবদ্ধ। আমরা এমন পরিকাঠামো, এমন স্বাস্থ্যকেন্দ্র, এমন পরিবেশ তৈরি করব, যাতে আগামীদিনে আমাদের এই নিটে সফল হওয়া চিকিৎসকরা, তাঁরা নিজেরাই স্বেচ্ছায় এই রাজ্যে চিকিৎসা পরিষেবা দান করার জন্য, উৎসাহিত হয়, সেই পরিবেশ পরিকাঠামো তৈরি করার দায়িত্ব পশ্চিমবঙ্গ সরকারের। ‘
আরও পড়ুন, পূর্ব মেদিনীপুরে গিয়ে অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে কী বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর ? “আমি পরামর্শ দিলাম..”
NEET-র প্রশ্নফাঁসকাণ্ডের আবহেই NEET-UG-তে রাজ্যের সেরা ১০০-কে সম্বর্ধনা দিল রাজ্যের বিজেপি সরকার। মঙ্গলবার নবান্ন সভাঘরে হয় সম্বর্ধনা অনুষ্ঠান। কৃতীদের হাতে তুলে দেওয়া হয় ল্যাপটপ ও সার্টিফিকেট। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এদিন বলেন, ‘আমরা আয়ুষ্মান কর্মসূচিতে যুক্ত হয়েছি। ইতিমধ্যেই জাতীয় স্বাস্থ্য মিশন কর্মসূচির মধ্যে , আমরা স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলিকে, আয়ুষ্মান মন্দির ঘোষণা করে, আমরা স্বাস্থ্যক্ষেত্রে, ব্যাপক উন্নয়ন এবং জনমুখী স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তোলার ব্যবস্থা নিয়েছি। শুধু তাই নয়, আমাদের স্বাস্থ্য-শিক্ষা ব্যবস্থাকে, অগ্রাধিকার দিয়ে, আমরা এমবিবিএস-র ক্ষেত্রে, আরও আসন সংখ্যা বৃদ্ধি করা, এবং চারটি নতুন মেডিক্যাল কলেজ, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, পশ্চিম বর্ধমান এবং দক্ষিণ দিনাজপুরে তৈরি করার পরিকল্পনা বাজেটে ঘোষণা করেছি।’
NEET-র প্রশ্নফাঁসকাণ্ডে উত্তাল হয়েছে দেশ। রাজ্য়ে রাজ্য়ে দেখা গেছে প্রতিবাদ, আন্দোলন।যার সামনে শেষ অবধি কার্যত নতি স্বীকার করতে হয়েছে কেন্দ্রকে। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে সরাতে হয়েছে ধর্মেন্দ্র প্রধানকে। অস্বস্তিতে পড়তে হয়েছে মোদি সরকারকে। এই আবহেই NEET-UG-তে রাজ্যের সেরা ১০০-কে সম্বর্ধনা দিল রাজ্যের বিজেপি সরকার। মঙ্গলবার নবান্ন সভাঘরে হয় এই সম্বর্ধনা অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কৃতীদের হাতে ল্যাপটপ ও সার্টিফিকেট তুলে দেওয়া হয় সরকারের পক্ষ থেকে। অনুষ্ঠানের পর এক প্রেস বিজ্ঞপ্তি দিয়ে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে,এই উদ্যোগের লক্ষ্য, ভবিষ্যৎ পেশাদার তৈরিতে শিক্ষাগত উৎকর্ষকে উৎসাহিত করা, শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানো এবং পরিবারের অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়া।