Last Updated:
NEET Exam: মনের জোরই শেষ কথা, হাসপাতালের বেড থেকে পরীক্ষাকেন্দ্রে গেলেন সৃষ্টি। রবিবার ঢাকুরিয়ার বিনোদিনী গার্লস হাই স্কুলে NEET পরীক্ষায় বসার কথা ছিল সৃষ্টি দুবের। শেষমেশ কী ভাবে পরীক্ষা দিলেন সৃষ্টি?
কলকাতা: মনের জোরই শেষ কথা, হাসপাতালের বেড থেকে পরীক্ষাকেন্দ্রে গেলেন সৃষ্টি। আজ ঢাকুরিয়ার বিনোদিনী গার্লস হাই স্কুলে NEET পরীক্ষায় বসার কথা ছিল সৃষ্টি দুবের। ১৪ জুন তিনি একটি গুরুতর পথ দুর্ঘটনার শিকার হয় সৃষ্টি। দুর্ঘটনাতে পাঁজড়ের ৯ টি হাড় ভেঙে যায় গুরুতর আঘাত লাগে ফুসফুসে। ফুসফুসেও মারাত্মক আঘাত লাগে। প্রাণে বাঁচাতে একটি বড় ভাসকুলার সার্জারি করতে হয় এবং রাখতে হয় ভেন্টিলেশনেও। বর্তমানে ভেন্টিলেশন থেকে বেরিয়ে এলেও হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন সৃষ্টি। তবে এই শারীরিক অবস্থার মধ্যেও NEET পরীক্ষায় বসার জন্য দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ছিল মেয়েটি।
বেসকারি হাসপাতালে (দমদম আইএলএস) চিকিৎসাধীন ছিলেন, অস্ত্রপচার হয়, ভেন্টিলেশনে রাখা হয়। হাসপাতালের বেডে শুয়ে ডাক্তার হওয়ার স্বপ্নই আরও প্রকোঠ হয়েছে সৃষ্টির। তাই সুযোগ ছাড়তে নারাজ তিনি। তাঁর বাবা বিষয়টি ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি (NTA)-র নজরে আনেন এবং জানান যে, ILS হাসপাতাল প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সহায়তা, চিকিৎসক, প্যারামেডিক কর্মী এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করতে প্রস্তুত রয়েছে। তিনি NTA-র কাছে অনুরোধ করেন যাতে তাঁর মেয়েকে পরীক্ষায় বসার অনুমতি দেওয়া হয় এবং সম্ভব হলে পরীক্ষাকেন্দ্রের নিচতলায় একটি টেবিল-চেয়ার-সহ বসার ব্যবস্থা করা হয়।
NTA দ্রুত হস্তক্ষেপ করে এবং সৃষ্টির জন্য পরীক্ষাকেন্দ্রে একটি পৃথক ব্যবস্থা করে। পাশাপাশি চিকিৎসা সহায়তা এবং একটি স্ট্যান্ডবাই অ্যাম্বুল্যান্সও রাখা হয়। হাসপাতাল থেকে মেডিকেল সাপোর্টেই ঢাকুরিয়ার বিনোদীন গার্লসে নিট পরীক্ষা দিলেন সৃষ্টি৷ পরীক্ষা শেষ ফের হাসপাতালে পরীক্ষার্থী৷ আজ কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান সৃষ্টির বাবা-মায়ের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন। শিক্ষামন্ত্রী এবং NTA কে ধন্যবাদ জানান তাঁরা।
