Last Updated:
রথ থেকে উল্টোরথ এই সময় যাত্রাপালা বুকিং করলে বিশেষ ছাড় পাওয়া যায়। তাই বর্তমানে যাত্রা বুকিং অফিসে বিভিন্ন দুর্গাপূজা কমিটি ও অন্যান্য অনুষ্ঠান কমিটির ভিড় চোখে পড়ার মত।
নন্দকুমার: রথের রশিতে টান, গ্রাম বাংলায় যাত্রাপালার রোজগার! রথযাত্রার পুণ্য লগ্নে সূচনা হল উৎসব মরশুমের। আর বাঙালির উৎসব মানেই কি আর যাত্রাপালা ছাড়া জমে! বিশেষ করে গ্রামে গঞ্জে। মাঠের মাঝে আলো-আঁধারির মঞ্চ, বিবেক-এর গান, আর বুক কাঁপানো সংলাপ। সেই চেনা আবেগ নতুন করে আবারও উজ্জীবিত হয়েছে। উদ্বোধন ও বুকিং এখন পুরোদমে চালু। রথযাত্রার পুণ্য তিথিতে যখন জগন্নাথ দেবের রথের চাকা ঘুরতে শুরু করে, ঠিক তখনই গ্রামবাংলার লোকসংস্কৃতির আঙিনাতেও লাগে এক নতুন দোলা। রথযাত্রা মানেই বাঙালির আদি ও অকৃত্রিম বিনোদন—যাত্রাপালার মরশুম শুরু।
চলতি বছরে কলকাতার পাশাপাশি জেলার প্রতিটি যাত্রাপালার বুকিং অনেকটাই বেড়েছে। আর তাতে খুশি যাত্রা শিল্পের সঙ্গে জড়িতে থাকা মানুষজন। আশাবাদী যাত্রাশিল্প নিয়ে মানুষের পুরনো আবেগ আগের মতই ফিরে আসবে। যাত্রাপালা বুকিং এর ভিড় পূর্ব মেদিনীপুর জেলার নন্দকুমারে। পূর্ব মেদিনীপুর জেলার নন্দকুমার থানার শ্রীধরপুরে বিভিন্ন যাত্রা বুকিং অফিসে সকাল থেকে রাত্রি ভিড় যাত্রা বুকিংয়ে। কলকাতার চিৎপুরের পর পূর্ব মেদিনীপুর জেলার নন্দকুমার যাত্রা বুকিং এর দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে আসছে বিগত কয়েক বছর ধরে।

যাত্রা বুকিং সেন্টারের মালিক অক্ষয় দুয়ারী জানান কলকাতা থেকে নন্দকুমার এ যাত্রাপালা বুকিং করলে অনেক সুবিধে পাওয়া যায়। দীর্ঘ ১২ বছর ধরে নন্দকুমারে এই যাত্রা বুকিং অফিস রয়েছে। এবছর খুব ভালই সাড়া পড়েছে। যাত্রা শিল্পীরা মনে করেন পূর্ব মেদিনীপুরের যাত্রা অনুরাগের সংখ্যা অনেক বেশি। তাই বেশ কয়েক মাস আগে থেকেই এই রথযাত্রার দিনে বিভিন্ন পুজো কমিটি বা সংস্থা বুকিং করে রাখেন। সব মিলিয়ে যাত্রা দলের বুকিং ভালই পরিমাণ হচ্ছে। আর তাতেই যাত্রা দলের মালিক থেকে দল ম্যানেজার এমনকি বুকিং অফিসের লোকজনেরাও খুশি।
সৈকত শী
Purba Medinipur,West Bengal