Last Updated:
Ritabrata Banerjee to CPIM: শনিবার ঋতব্রত বলেছিলেন, ‘‘আমিও এস এফ আইয়ের সর্বভারতীয় নেতা ছিলাম। উনিও ছিলেন। ওনার থেকে বেশিদিন ছিলাম। ভিডিওতে দেখলাম উনি ফায়ার ব্র্যান্ড নেত্রীর সাথে মার খাচ্ছে সাংবাদিক, সেটা দেখে চলে যাচ্ছেন। আন্দোলনের নামে যারা এসেছিল তারা লুট করতে এসেছিল। শমীক লাহিড়ীর হাসি দেখে হতবাক। দিব্যি হাসলেন তারপর নিরাপদ দূরত্বে চলে গেলেন।’’
কলকাতা: দমকলের একটি গাড়ি৷ তার উপরে তিন-চার জন ষণ্ডা মার্কা ব্যক্তি৷ সামনে উড়ছে বিজেপির দলীয় পতাকা৷ আর দমকলের গাড়ির মাথায় উপস্থিত ব্যক্তিরা ছুঁড়ছেন ঢিল৷ সম্প্রতি, মৌলালির ভিডিও বলে দাবি করে সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ভিডি পোস্ট করা নিয়ে চূড়ান্ত কটাক্ষের সম্মুখীন হতে হচ্ছে বাম ছাত্র সংগঠন SFI-কে৷ এবার সেই ভিডিও নিয়ে আলিমুদ্দিন তুলে চাঁচাছোলা ভাষায় আক্রমণ শানালেন অতীতে বাম বহিষ্কৃত এবং বর্তমানে নব তৃণমূলের নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়৷
সম্প্রতি একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে সংবাদমাধ্যমের উদ্দেশ্যে বাম নেতাদের বলতে শোনা যায়, ‘‘সংবাদমাধ্যমের যদি সাহস থাকে, তাহলে এই ভিডিওটা দেখান৷’’ দাবি করা হয়, এই ভিডিও গত শুক্রবারের ককরোচ জনতা পার্টি এবং বাম সমর্থকদের মিছিলের৷ ভিডিওটি মৌলালির বলেও দাবি করেন তাঁরা৷
কিন্তু, পরবর্তী ক্ষেত্রে ফ্যাক্ট চেক করে News18 Bangla জানতে পারে, রাঁচীর ভিডিও কলকাতায় পাথর ছোঁড়ার ভিডিও বলে দেখানো হয়েছে৷ এটি ঝাড়খণ্ডের একটি স্থানীয় মিডিয়ার শেয়ার করা ভিডিও৷
এদিন এই ‘ফেক ভিডিও’ সম্পর্কে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, ‘‘বর্তমানে আলিমুদ্দিন স্ট্রিটের যাঁরা কারবারি আছেন আর তাদের নিম্নমেধার যে সকল ঠ্যাঙাড়েরা আছেন এরা কাকদ্বীপকে ক্যালিফোর্নিয়া বলে চালিয়ে দেয় নতুন কিছু নয়, হন্ডুরাস হলদিয়া হয়ে যায় সেখানে রাঁচী আর কলকাতার দূরত্ব তো বেশি নয়৷’’
সিজেপি-বাম মিছিলে সাংবাদিক নিগ্রহ নিয়ে প্রশ্ন তুলে ঋতব্রত বলেছিলেন, ‘‘আমি সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেছি। মোবাইলে যে ছবি ধরা আছে সেই ছবি যথেষ্ট দুষ্কৃতীদের ধরতে। বলেছে জুতো খুলে নে। আন্দোলনের ক্রেডিট নেব, আর গোলমাল হলে ডিসক্রেডিট আমার নয়, এটাই ওরা করে। যে ধরনের লাঠিতে পতাকা লাগানো হয়েছিল। সেগুলো মারধর করার।’’
Jul 28, 2026 10:38 PM IST
