Last Updated:
সিরিয়ালে কাজ করতে গেলে চরম হতাশায় ভুগছেন অনেকে৷ এর পিছনে কারণে হিসেবে উঠে এল ভয়ঙ্কর তথ্য৷ শুনতে আপনিও শিউড়ে উঠবেন৷
মুম্বই: টিভি অভিনেত্রী সঞ্চিতা উগালের মৃত্যুতে শোকাহত হিন্দি টেলিভিশন জগত৷ ২২ বছরের এই অভিনেত্রীর এভাবে মৃত্যুতে ইন্ডাস্ট্রিতে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। মেয়ের মৃত্যু মেনে নিতে পারছেন না পরিবারের কেউ৷ মুম্বইয়ে নিজের বাড়িতে আত্মহত্যা করেন সঞ্চিতা। মরদেহ মুম্বইয়ের বাড়িতে পাওয়া যায়, যা তাঁর ভক্ত, সহকর্মী এবং বিনোদন জগতের মানুষদের হতবাক করে দেয়৷ কে এভাবে নিজেকে শেষ করে দিলেন অভিনেত্রী, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে৷ টিভি অভিনেত্রী আঁচল খুরানা বেশ কিছু প্রশ্ন তুলেছেন এবং এই ইন্ডাস্ট্রির ভিতরের কথা সামনে নিয়ে এসেছেন।
‘কুমকুম ভাগ্য’, ‘ওয়াগলে কি দুনিয়া’ এবং ‘ছাভা’ ছবিতে অভিনয়ের জন্য পরিচিত অভিনেত্রী সঞ্চিতা উগলে ২০২৬ সালের ১৪ই জুন মুম্বইয়ের বাড়িতে আত্মহত্যা করেন। এই তরুণী অভিনেত্রীর মরদেহ মুম্বইয়ের বাড়িতে পাওয়া যায়, যা তাঁর ভক্ত, সহকর্মী এবং বিনোদন জগতের মানুষদের হতবাক করে দেয় এবং তাঁরা উত্তরের সন্ধানে থাকেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় শোকবার্তার বন্যা বয়ে গেছে এবং অনেকেই তাঁর মৃত্যুর পরিস্থিতি সম্পর্কে তথ্য জানতে চাইছেন। টিভি অভিনেত্রী আঁচল খুরানা বেশ কিছু প্রশ্ন তুলেছেন এবং এই ইন্ডাস্ট্রির মুখোশ উন্মোচন করেছেন।
সঞ্চিতার মৃত্যুর পর অভিনেত্রী ইন্ডাস্ট্রির আসল সত্য প্রকাশ
আঁচল খুরানা টেলিভিশন ইন্ডাস্ট্রির কিছু প্রথার সমালোচনা করেছেন , যার মধ্যে রয়েছে পেশাগত চাপ এবং কাস্টিং সংক্রান্ত সমস্যা। খুরানা বিনোদন জগতের চাকচিক্যের আড়ালে অভিনেতাদের যে সব সমস্যার কথা তুলে ধরেছেন৷ এতে তৈরি হয় মানসিক চাপ। সঞ্চিতা উগলের মৃত্যু প্রসঙ্গে তিনি টেলিভিশন ইন্ডাস্ট্রির সমালোচনা করে একটি তীব্র পোস্ট শেয়ার করেছেন তিনি।
আঁচল বলেছেন যে, চ্যানেলগুলো যখন টিআরপি-র পিছনে ছোটেন, প্রযোজকরা খরচ কমানোর দিকে মনোযোগ দেন এবং দর্শকরা বিনোদন চান, তখন অভিনেতাদের যে সব প্রতিকূলতার মুখোমুখি হতে হয়, সে সম্পর্কে খুব কম মানুষই জানতে পারেন। তিনি দাবি করেন যে, সামান্যতম কারণেও অভিনেতাদের বদলে দেওয়া হতে পারে, তা সে আত্মসম্মানবোধের অভাব, দ্বিমত পোষণ, আপোস করতে রাজি না হওয়া, কিংবা কেবলই জনপ্রিয়তা হারানো—যা-ই হোক না কেন।
এই পেশা অত্যন্ত অনিশ্চয়তায় মোড়া, বলেছেন আঁচল৷ তার মতে, মানুষ প্রায়ই অভিনেতাদের শক্ত থাকতে পরামর্শ দেয়, কিন্তু ক্রমাগত অসুবিধা ও অনিশ্চয়তার মুখোমুখি হওয়াটা যে কতটা ক্লান্তিকর হতে পারে, তা খুব কমই বোঝে। আঁচল আরও অভিযোগ করেন যে, সামান্য পারিশ্রমিকের পার্থক্যের কারণে বা অস্বস্তিকর আচরণ গ্রহণ করতে অস্বীকার করার জন্য ভালো অভিনেতাদেরও বদলে দেওয়া হতে পারে।
তবে এসব কাটিয়েও যেন কেউ আত্মহত্যার মতো চরম পদক্ষেপ না নেয়, সে কথা বলছেন আঁচল৷ আঁচল জানান যে, তিনিও হতাশা ও মানসিক চাপের শিকার হয়েছেন। তিনি পরামর্শ দেন, যারা এই পরিস্থিতি সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন, তারা যেন চাপ থেকে সরে আসেন এবং পরিস্থিতি খুব কঠিন হয়ে উঠলে পরিবারের কাছে ফিরে যান।
Kolkata,West Bengal
