Last Updated:
Summer Business Idea: গরমে গলা ভেজাতে বোতলবন্দি ঠান্ডা পানীয়ের থেকে অনেকেই ভরসা রাখছেন সোডা ভেন্ডিং মেশিনের ওপর। কম খরচে নিজের পছন্দমত ফ্লেভারের ঠান্ডা পানীয় বেরিয়ে আসছে এই মেশিন থেকে। গরমে এই মেশিনের ওপর ভরসা করে অনেকেই আর্থিক স্বচ্ছলতার দেখা পেয়েছেন।
আসানসোল ও দুর্গাপুর, পশ্চিম বর্ধমান: একদিকে চড়চড় করে বাড়তে থাকা পারদ, আর অন্যদিকে বাতাসে জলীয় বাষ্পের জেরে তৈরি হওয়া গুমোট অস্বস্তি। দহনজ্বালায় যখন নাভিশ্বাস ওঠার জোগাড়, ঠিক তখনই শিল্পাঞ্চলের আনাচে-কানাচে মুশকিল আসান হিসেবে হাজির হয়েছে এক আধুনিক প্রযুক্তি। কোনও চেনা ব্র্যান্ডের বোতলবন্দি নরম পানীয় নয়, গরমে নাজেহাল পথচারীদের জন্য হাজির বিভিন্ন ফ্রেভারের সোডা। বোতাম টিপল মেশিন থেকে বেরিয়ে আসছে সোডা। চাইলে নিজের পছন্দ অনুযায়ী একাধিক ফ্রেভারের মিশ্রণও পাওয়া যাচ্ছে।
এই মেশিন যেমন আমজনতার তৃষ্ণা মেটাচ্ছে, তেমনই জেলায় অনেকের জীবনে এনে দিয়েছে আর্থিক স্বচ্ছলতা। শুধুমাত্র একটি মেশিনের ওপর ভরসা করে মোটা ইনকাম হচ্ছে তাদের। দেখেছেন স্বনির্ভরতার দিশা। আসানসোলের হটন রোড, বিএনআর মোড় থেকে শুরু করে দুর্গাপুরের বেনাচিতি বাজার বা প্রান্তিকা চত্বর, এখন প্রায় প্রতি মোড়েই নজর পড়বে এই সোডা ভেন্ডিং মেশিন।
এই মেশিন গরমকালে অনেকের উপার্জনের মাধ্যম হয়ে উঠেছে। ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের লক্ষ্মীলাভও হচ্ছে দেদার। দুর্গাপুরের বেনাচিতি বাজারে এই মে মাসেই সোডা মেশিন বসিয়েছেন স্থানীয় যুবক সন্দীপ দে। আগে তিনি একটি ছোট স্টেশনারি দোকান চালাতেন, যেখানে লাভের মুখ দেখা কঠিন হচ্ছিল। সন্দীপবাবুর কথায়, এই তীব্র গরমে সোডা মেশিন থেকে আয় খুব ভাল। এক গ্লাস সোডা তৈরিতে খরচ পড়ে বড়জোর ৪ থেকে ৫ টাকা। যা অনায়াসে ১৫ বা ২০ টাকায় বিক্রি হয়। সব খরচ বাদ দিয়ে দিনে ১,০০০ থেকে ১,৫০০ লাভ করা সম্ভব হচ্ছে। ফলে অনেকের কাছে এই মেশিনটি এখন উপার্জনের প্রধান মাধ্যম হয়ে উঠেছে।
Durgapur,Barddhaman,West Bengal
