Last Updated:
Taratala Building Collapse: তারাতলা কাণ্ডে তলবের পর কলকাতা পুরসভার বিল্ডিং বিভাগে হাজির হন আর্কিটেক্ট সুপ্রতিম চৌধুরী এবং দুই ইঞ্জিনিয়ার। তাঁদের দাবি, প্রস্তাবিত নকশা তৈরির পর ভবনের মালিক আর যোগাযোগ করেননি এবং বেআইনিভাবে নির্মাণকাজ করেছেন।
কলকাতাঃ তারাতলা কাণ্ডে আর্কিটেক্ট এবং দুই ইঞ্জিনিয়ারকে তলব করেছিল কলকাতা পুরসভা। সেইমতো তাঁরা কলকাতা পুরসভার বিল্ডিং বিভাগে হাজির হন। এদিন তাঁদের আইনজীবীরা পুরসভার বিল্ডিং বিভাগে লিখিতভাবে আবেদনও জমা দেন।
পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, সংশ্লিষ্ট আর্কিটেক্ট সুপ্রতিম চৌধুরী, এনলিস্টেড স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার (ইএসই) শান্তনু দত্ত এবং এনলিস্টেড স্ট্রাকচারাল রিভিউয়ার (ইএসআর) রূপক কুমার বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন পুরসভায় উপস্থিত ছিলেন।
লিখিত আবেদনে তাঁদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিল্ডিংয়ের প্রস্তাবিত নকশা (প্রপোজাল প্ল্যান) তৈরির পর ভবনের মালিক তাঁদের আর কোনওভাবেই জানাননি কবে নির্মাণকাজ করা হয়েছে। সেই কারণে জিও-টেকনিক্যাল রিপোর্ট এবং স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ারিং রিপোর্ট তাঁদের পক্ষে জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি। এছাড়াও, ভবনের মালিক বেআইনিভাবে নির্মাণকাজ করেছেন বলেও পুরসভাকে জানিয়েছেন তাঁরা।
তারাতলায় গোডাউন ভেঙে পড়ার ঘটনায় পূর্ণাঙ্গ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী৷ ঘটনার তদন্তে ইতিমধ্যেই গঠন করা হয়েছে বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT)৷ তদন্তে নেমে তারাতলা বিপর্যয়ের নেপথ্যে পুরসভার একাধিক অফিসারের ‘চোখ বন্ধ’ করে থাকাও সমান ভাবে দায়ি মনে করছেন সিটের কর্তারা৷
নিয়ম বলছে, প্ল্যানের নকশা জমা পড়া থেকে অনুমোদন এবং অনুমোদন পাওয়ার পর নির্মাণ কাজ চলাকালীন একাধিক বার পুরসভার তরফে নজরদারি চালানো হয়ে থাকে। যা তারাতলার এই নির্মাণে হয়নি বলেই সূত্রের খবর৷ ওয়ার্ডের সাব এঞ্জিনিয়ার থেকে বোরো অফিসের অ্যাসিস্ট্যান্ট এঞ্জিনিয়ার হয়ে এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার, যাঁদের নজরদারি থাকার কথা ছিল নির্মাণে। যা হয়নি বলেই তথ্য উঠে এসেছে৷ এমনকি পুরসভার সদর দফতরের বিল্ডিং বিভাগের আধিকারিক থেকে ইঞ্জিনিয়ার, তাঁরাও এড়িয়ে গেছেন তাঁদের কর্তব্য৷ পুলিশের দাবি, কালীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রভাব ও মোটা অঙ্কের টাকার লেনদেনের কারণেই বিধির তোয়াক্কা না করেই চলেছে নির্মাণ!
Kolkata,West Bengal
