Last Updated:
TMC Councillor Debalina Biswas: তৃণমূলের বিরুদ্ধে ফোন করে চাপ দেওয়ার অভিযোগ পুরসভার বরো চেয়ারপার্সন দেবলীনা বিশ্বাসের। পদত্যাগ করে চিঠি পাঠালেন মালা রায়ের কাছে।
কলকাতা: অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সংস্থা ও তাঁর পরিবারের ১৭টি সম্পত্তিতে নোটিস পাঠিয়েছে পুরসভা। পরদিনই কলকাতা পুরসভার ৯ নম্বর বরো চেয়ারপার্সন পদ থেকে ইস্তফা। দলের ফোন করে বরো চেয়ারপার্সনকে চাপ দেওয়ার অভিযোগ চেয়ারপার্সন দেবলীনা বিশ্বাসের। দলের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে পদত্যাগ পত্র পাঠালেন তৃণমূলের বরো চেয়ারপার্সন। যদিও কাউন্সিলর হিসেবে কাজ চালিয়ে যাওয়ার ইচ্ছেপ্রকাশ করেছেন তিনি।
দেবলীনা বিশ্বাসের দাবি, ‘সোমবারই অভিষেকের বাড়িতে নোটিস সার্ভ হওয়ার পর থেকে ফোন করে নীতি বদলের কথা বলা হয়। কিছু অসত্যকে সত্য বলতে বলা হয়। আমি পারব না। তাই নিজে থেকেই চেয়ারপার্সন পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’
নিউজ ১৮ বাংলার তরফে তাঁকে সরাসরি প্রশ্ন করা হয়, অভিষেক বা তাঁর ঘনিষ্ঠ কেউ ফোন করেছিলেন? চাপ দিচ্ছেন? দেবলীনা বিশ্বাসের দাবি, ‘অভিষেক করেননি। দলের ভিতর থেকে চাপ এসেছে। নীতি বদলের চাপ দেওয়া হচ্ছিল। তাই এই সিদ্ধান্ত’। যদিও নীতি বদল করতে পারবেন না বলেই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। দেবলীনার আরও বক্তব্য, ‘দলের সকলে এতক্ষণে জেনে গিয়েছেন। তবে দলবদল করছি না। করলে তো চার তারিখের পরেই করতে পারতাম। আমি কাউন্সিলর হিসেবে কাজ করতে চাই। ইস্তফাপত্র পাঠিয়েছি। মালা রায় গ্রহণ করেননি।’
এখানে লেখা আছে, এই সম্পত্তিতে যে বেআইনি নির্মাণ করা হয়েছিল সেই জায়গাগুলিকে ‘ডেমলিশ’ করে ফেলতে হবে। এটা কোন অ্যাক্টের আন্ডারে হচ্ছে? এটা কলকাতা কর্পোরেশন অ্যাক্ট ১৯৮০, সেকশন ৪০০/১ এর মাধ্যমে হচ্ছে। পুরসভা মনে করছে, এই ১৭টি সম্পত্তির বিভিন্ন অংশ বা এক্সটেনশন রয়েছে। যা আইন মেনে করা হয়নি।
অমিত সরকার
Kolkata,West Bengal
