কলকাতা: ভোটগণনা এখনও বাকি। তার আগেই সম্ভাব্য আসনপ্রাপ্তি নিয়ে নানা দাবিদাওয়া উঠে আসছে। সরকারে এসে কী করবেন, এবার সেই ঘোষণা করলেন বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। ভোটগণনায় কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের রাখা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করেছিল তারা। শমীক জানিয়েছেন, মামলার পিছনে কত টাকা খরচ করেছে রাজ্য, ক্ষমতায় এসে তা খোলসা করবেন তাঁরা। (Samik Bhattacharya on TMC Expenditure)
ভোটগণনা মামলায় শনিবার সুপ্রিম কোর্টেও ধাক্কা খেয়েছে তৃণমূল। নির্বাচন কমিশনের ১৩ এপ্রিলের নির্দেশিকাতেই সিলমোহর দিয়েছে শীর্ষ আদালত। বলা হয়েছে, কমিশনের নিয়ন্ত্রণে থাকা গণনা কর্মীরা কেন্দ্রের না রাজ্যের, তাতে কী এসে গেল? আধিকারিক বাছার অধিকার কমিশনের আছে বলে জানিয়ে দিয়েছেন বিচারপতি জয়মাল্য বাগচি। সেই নিয়েই প্রতিক্রিয়া চাওয়া হয়েছিল। (TMC News)
জবাবে এদিন শমীক বলেন, “ওই গণনাকেন্দ্রিক মামলা যে করতে গিয়েছিল না! কপিল সিব্বলকে কত টাকা ফি দিয়েছে, আমরা সরকারে এসে জানাব। আপনাদের করের টাকা তো! আপনাদের কত টাকা খরচ হল, আমরা জানাব। সাতদিনের মধ্যে হাইকোর্ট এবং সুপ্রিম কোর্টে কত টাকা খরচ করেছে রাজ্য জানাব আমরা।”
শমীক যদিও রাজ্যের কথা বলেছেন। তবে ভোটগণনার মামলা করেছিল তৃণমূল, রাজনৈতিক দল হিসেবে। সুপ্রিম কোর্টে তৃণমূলের ওই মামলা খারিজ হয়ে গিয়েছে। সেই নিয়েও কটাক্ষ করেছেন শমীক। তাঁর বক্তব্য, “খারিজ হয়েছে নতুন শুনছেন? তৃণমূলকেই খারিজ করে দিয়েছে মানুষ। আর মামলার কথা বলছেন!”
এ নিয়ে শমীককে বিঁধেছেন তৃণমূলের জয়প্রকাশ মজুমদার। তাঁর কথায়, “নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা যখন প্রশ্নের মুখে, মানুষের স্বার্থেই হাইকোর্ট, সুপ্রিম কোর্টে যেতে হয়। আজ ৭৫-৭৬ বছর হয়ে গেল ভারতের গণতন্ত্রের। এতদিন কেউ নির্বাচন কমিশনের দিকে আঙুল তুলে নিরপেক্ষ নয় বলতে পারেনি। আর আজ সবাই মনে করছে কমিশন বিজেপি-র পকেটের লোক। এর কী উত্তর দেবেন শমীকবাবু? একটা দলের হয়ে কাজ করছে কমিশন। আর কমিশনকে ডিফেন্ড করছে সেই দল। ক্ষমতায় আসার জন্য হেন নীচ কাজ নেই আপনারা করতে পারেন না।”